ছবি: সিলেটভিউ
সিলেট মহানগরীর ২৬নং ওয়ার্ডের কদমতলী এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে চক্কু চড়কগাছ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও তার দলবলের।
স্থানীয় দরিয়াশাহর মাজার সংলগ্ন ড্রেনের মুখ আর নদীর তীরজুড়ে দু’পাশেই মোবাইল ক্যাচিংয়ের ভাগাড়। অবস্থা এমন যে, ড্রেনের মুখ বন্ধ হওয়ার উপক্রম।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরের দিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশন কদমতলী এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব) মো. একলিম আবদীন, ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আক্তার রশীদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কদমতলী দরিয়াশাহর মাজার সংলগ্ন এলাকায় সুরমার পারে গঠে উঠেছে বেশ কয়েকটি ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীর দোকান। নষ্ট মোবাইল, নষ্ট ল্যাটপ ইত্যাদি ক্রয় করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ রেখে ক্যাচিংগুলো ফেলে দেওয়া হয় সুরমার তীরে। এভাবে দিনের পর দিন বছরের পর বছর সেখানে মোটামুটি মোবাইল ক্যাচিংয়ের একটা ছোটোখাটো পাহাড় গড়ে উঠেছে।
তবে কাউকে জরিমানা না করে সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তীতে এমন কিছু ঘটলে বা সেখানে মোবাইলের নষ্ট ক্যাচিং ফেললে বা পরিবেশ দূষণের মতো কোনো ঘটনা ঘটানো হলে বড় ধরনের জরিমানা এমনকি আদালতের মাধ্যমে কারবাসের মতো শাস্তিও দেওয়া হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে সিসিক প্রশাসক বলেন, আমরা সুরমার দুই পার সুন্দর করতে চাই সুন্দর রাখতে চাই। আপাতত তাদের সতর্ক করা হর। আগামীতে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
এসময় তিনি আরও জানান, কোথাও খোলা ড্রেন রাখা যাবেনা। এটার ব্যাপারেও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে-১৩
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.