প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:০০ (বৃহস্পতিবার)
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন কমাতে ‘কঠোর’ রূপরেখা

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন কমানোর বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে দেশটির রক্ষণশীল বিরোধী জোট লিবারেল-ন্যাশনাল কোয়ালিশন। জোটটি বলছে, তাদের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির ইতিহাসে অভিবাসন কমানোর সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
 

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিরোধীদলীয় নেতা অ্যাঙ্গাস টেলর জানান, চার বছরে অস্থায়ী ভিসার সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজার কমানো হবে। একই সঙ্গে বছরে নতুন করে স্থায়ী ও অস্থায়ী অভিবাসীর নিট সংখ্যা কমিয়ে প্রথম দুই বছর ১ লাখে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখের বেশি।
 

জোটের প্রস্তাব অনুযায়ী, মানবিক ভিসার সংখ্যা অর্ধেক কমিয়ে বছরে ১০ হাজার করা হবে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তির সংখ্যা ২ লাখ ৪০ হাজারে সীমিত করার পাশাপাশি পড়াশোনা শেষে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা, পড়া ও কাজের সুযোগ দেওয়া ‘টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট ভিসা’ কর্মসূচিও বাতিল করা হবে।
 

তবে দক্ষ কর্মীদের জন্য অস্থায়ী ভিসা ১ লাখ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিরোধী জোট। নির্মাণ খাতের কর্মীদের ভিসা আবেদনের জটও দ্রুত কমানোর কথা বলা হয়েছে।

টেলর বলেন, তাদের পরিকল্পনার লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়াকে ‘সবার আগে’ রাখা এবং দেশটির অবকাঠামো, বাসস্থান, স্কুল ও সড়কের ওপর চাপ কমানো।
 

অস্ট্রেলিয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও আবাসন সংকটের কারণে অভিবাসনবিরোধী মনোভাব বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ডানপন্থি ওয়ান নেশন পার্টিও অভিবাসন কমানোর দাবি জোরালো করেছে।

বিরোধীদের প্রস্তাব বর্তমান লেবার সরকারের পরিকল্পনার চেয়েও কঠোর। সরকার ২০২৮ সালের মধ্যে বার্ষিক নিট অভিবাসন ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে।
 

২০২২ সালে করোনার বিধিনিষেধের পর অস্ট্রেলিয়ার সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর অভিবাসন দ্রুত বেড়েছিল। তবে গত দুই বছরে তা কমেছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এক বছরে দেশটির নিট বিদেশি অভিবাসন ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-১৯