সুন্দরী মেয়ের ছবি দিয়ে ইমো ও ফেসবুক খুলে নারীকন্ঠে প্রতারণা করে খোরশেদ আলম নামের এক ইতালী প্রবাসীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন নাটোরের লালপুরের শান্ত ইসলাম (২০)। এমনকি মোবাইলে বিয়েও করেছিলেন তারা দুজন।
শান্তর এই কাজে সহযোগিতা করতেন বাবা শহিদুল ইসলাম। এমন প্রতারণার মাধ্যমে প্রবাসীর টাকা হাতিয়ে বাবা-ছেলের শেষ রক্ষা হয়নি।
সর্বশেষ বুধবার (৭ অক্টোবর) অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে নিজ বাড়ি উপজেলার গন্ডবিল গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসীর দাবি, শান্ত ইসলাম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমো আইডি হ্যাকিং প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য।
পুলিশ জানায়, শান্ত ইসলামের খোলা ‘সুমাইয়া আক্তার’ নামে ফেসবুক আইডির মাধ্যমে ৬ মাস আগে ইতালী প্রবাসী খোরশেদ আলমের পরিচয় হয়। শান্ত নিয়মিত ইমো ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার ব্যবহার করে নারীকন্ঠে কথা বলতেন খোরশেদ আলমের সঙ্গে। মাস তিনেক আগে ‘সুমাইয়া আক্তার’ নাম ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে করেন। ইতালি প্রবাসীর শ্বশুর হিসেবে মাঝে মাঝে কথা বলতেন শান্তর বাবা শহিদুল ইসলাম। জমি কেনার নাম করে তিন লাখ টাকাও নিয়েছেন। শান্ত ইসলাম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমো আইডি হ্যাকিং প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য।
বুধবার সকালে প্রতারণা কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনসহ গন্ডবিল গ্রামে নিজের বাড়ি থেকে শান্ত ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, প্রবাসী খোরশেদ আলম মোবাইল ফোনে শান্ত ইসলামের প্রতারণার কথা তাকে জানিয়েছেন। সুমাইয়া সেজে মোবাইলে বিয়ের পর জমি কেনা ও আন্যান্য অজুহাতে খোরশেদ আলমের তিন লক্ষাধিক টাকা নিয়েছে শান্ত।
ওসি আরও জানান, শান্ত ও তার বাবা শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ এর ১৭ ধারায় নিয়মিত মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-২২
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.