প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৩৬ (বৃহস্পতিবার)
তামাবিল দিয়ে ভারতে পাঠানো হল নি হ ত নারীর ম র দে হ

ছবি: সিলেট ভিউ।

ঢাকায় জরুরি অবতরণ করা ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা নারী রোগী অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভারতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।

 

তবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা চিকিৎসক ডা. ফিরোজ খান, প্যারামেডিক আজিম খান এবং দুই সঙ্গী শান্তা ভৌমিক ও দীপ জ্যোতি মিশ্রের ভারতে গমন সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।


তামাবিল স্থলবন্দর কাস্টমস ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ বজলুর রশিদ জানান, নিহত নারীর সঙ্গে থাকা স্বজনেরা তাঁর মরদেহের সঙ্গে গেছেন। তবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা চার ব্যক্তির সবাই ভারতে গেছেন কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট তালিকায় তাঁদের সবাইকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার দুপুরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ তামাবিল স্থলবন্দরে আনা হয়। সেখানে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।

 


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর ভারতের আগরতলা থেকে এক মুমূর্ষু রোগীকে নিয়ে বিচক্রাফ্ট কিং এয়ার সি৯০এ (C90A) মডেলের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করে। যাত্রাপথে মাঝআকাশে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়োজাহাজটির কেবিনের চাপ কমে যায় এবং পেছনের দরজা আংশিক খুলে যায়। এ পরিস্থিতিতে পাইলট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেন।

 


অবতরণের পর অসুস্থ অঞ্জনা ভৌমিককে দ্রুত ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা পাইলট, চিকিৎসক ও স্বজনসহ অন্য আরোহীরা অক্ষত ছিলেন বলে জানা গেছে।

 


মরদেহ ভারতে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করায় নিহত নারীর স্বজনেরা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে মরদেহ হস্তান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

 

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/জাহিদ/আশিক-১৪