প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩০ (রবিবার)
দিরাইয়ে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৭.৮২ শতাংশ, এক কলেজে পাস করেনি কেউ

ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ১০টি কলেজ থেকে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৮৬১ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৮৯০ জন। উপজেলায় গড় পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮২ শতাংশ।
 

অন্যদিকে, উপজেলার আব্দুল মতলিব উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্য শতাংশ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য জানা গেছে।
 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সারা দেশে বোর্ডের গড় পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। সে হিসাবে দিরাই উপজেলার পাসের হার বোর্ডের গড়ের চেয়ে ৩ দশমিক ০৮ শতাংশ কম। উপজেলার ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে জগদল কলেজ। আর সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল করেছে আব্দুল মতলিব উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
 

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, জগদল কলেজ থেকে ৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪২ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ডা. সৈয়দ মনোয়ার আলী আটগ্রাম কলেজ থেকে ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৮ জন। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

দিরাই সরকারি কলেজ থেকে ৯৬৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৬৪ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৪৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। বিবিয়ানা মডেল কলেজ থেকে ৪৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৮৬ জন। পাসের হার ৬১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মহিলা কলেজ থেকে ১৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৯ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ২৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ। রজনীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৬০ জনের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৫ জন। পাসের হার ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমি থেকে ৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৫ জন। হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৫১ জনের মধ্যে পাস করেছে ৯ জন। চরনারচর এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ২ জন।
 

তবে সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল করেছে আব্দুল মতলিব উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান বলেন, ১৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কেউ পাস করেনি। শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা ভর্তি হয়েছিল, তারা কখনো ক্লাসে আসেনি। এ বিষয়ে অভিভাবকদের জানাতে আমি বাড়ি বাড়ি গিয়েছি।
 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/হিল্লোল/এসডি-১৩