ছবি: সিলেট ভিউ।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় উপজেলার আটটি ইউনিয়নের কোনো চেয়ারম্যান কিংবা তাঁদের মনোনীত প্রতিনিধিকে উপস্থিত দেখা যায়নি। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এমন অনুপস্থিতি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিল্লোল চাকমার সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তবে উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিষদের কোনো চেয়ারম্যান কিংবা তাঁদের পক্ষ থেকে মনোনীত কোনো প্রতিনিধিকে অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ছয়টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি বলে জানান। দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দাবি করেন, তিনি অনুষ্ঠানের কোনো দাওয়াত পাননি। এবং সরকারি ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের কাজে তিনি ব্যস্ত ছিলেন।
অন্যদিকে পাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকায় তিনি আলোচনা সভায় উপস্থিত হতে পারেননি। তবে ব্যক্তিগত অসুস্থতা কিংবা অন্য কোনো ব্যস্ততার কারণে কোনো চেয়ারম্যান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তাঁদের পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ ছিল। কিন্তু আটটি ইউনিয়নের কোনোটি থেকেই প্রতিনিধি না পাঠানোর বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমা বলেন, ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রত্যেক ইউনিয়নে দাওয়াতি চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারণে তাঁরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি, তা আমার জানা নেই।’ তবে দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তিনি ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের কাজে ব্যস্ত ছিলেন এসময়।
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসের সরকারি আয়োজনে উপজেলার আট ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের এমন অনুপস্থিতি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় এবং দায়িত্ববোধের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এনেছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ সামুয়েল/ এহিয়া-০৭
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.