(প্রতীকী ছবি)
ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর প্রকল্পে সাপোর্ট টু ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ব্যয় বেড়েছে ৪ হাজার ৮৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
গতকাল মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সংশোধিত এ প্রস্তাব অনুমোদন পায়।
জানা যায়, ঢাকা থেকে সিলেটের তামাবিল পর্যন্ত ২৬৫ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সংস্থা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। মূল অনুমোদিত প্রকল্পের ব্যয় প্রথমে ধরা হয় ৩ হাজার ৮৮৫ কোটি ৭২ লাখ ২৩ হাজার টাকা। সংশোধন করে নতুন করে প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৯৭৫ কোটি ৩১ লাখ ৩১ হাজার টাকা। ফলে প্রকল্পটির ব্যয় বাড়ছে ৪ হাজার ৮৯ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূল অনুমোদিত প্রকল্পটি ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২০-এর ডিসেম্বর- এই সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হওয়ার কথা ছিলো। পরে ব্যয় বৃদ্ধি হলে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে আবারও ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকল্পের মেয়াদ নতুন করে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়কটি উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেনসহ ৬ লেনে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের জন্য প্রকল্পটিতে ব্যয় ও সময় বাড়ে। এছাড়াও নতুন ভূমি অধিগ্রহণ নীতিমালা এবং সড়কের অ্যালাইনমেন্ট সংশোধনের কারণে ভূমির পরিমাণ ও ব্যয় বৃদ্ধি, ইউটিলিটি স্থানান্তর অঙ্গে ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়। প্রকল্পের অধীনে এলাকা বেড়ে দাঁড়ায়- নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলা।
প্রকল্পের প্রধান কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১ হাজার ৩৭৯ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, ১ হাজার ৮২৩ জনমাস পরামর্শক সেবা ক্রয় এবং ৩ হাজার ২৪৭টি সীমানা পিলার নির্মাণ। ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর পরামর্শক সেবাখাতে জনমাস ও ব্যয় বৃদ্ধি (ঘ) সীমানা পিলার নির্মাণ অঙ্গ নতুন করে অন্তর্ভুক্তির কারণে প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ ২ বছর বৃদ্ধি করা হয়।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম




