উচ্চচাপবিশিষ্ট সঞ্চালন গ্যাস পাইপ লাইনের উপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২ মার্চ) দিনব্যাপী পরিচালিত সেই অভিযানে ৮ কিলোমিটারজুড়ে স্থাপনকৃত অবৈধ ঘর-বাড়ি ও দোকান উচ্ছেদসহ ৩৪ কিলোমিটার পাইপ লাইনের ভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। জালালাবাদ গ্যাসের এটি ৬ষ্ঠ দফা অভিযান।

জানা যায়, বুধবার সকালে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ রোডের মোগলাবাজার এলাকা থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড। পরবর্তীতে মোগলাবাজার রোডের খালেরমুখ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে ফেঞ্চুগঞ্জ-দেবপুর লাইনের উচ্চচাপ বিশিষ্ট ৪০ কিলোমিটার গ্যাস পাইপ লাইনের দুপাশে ১০ ফুটের মধ্যে গড়ে অবৈধভাবে তোলা সীমানা প্রাচীর, বাড়ি, দোকান কোঠাসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।


অভিযানে নেতৃত্ব দেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সহকারী কমিমনার ভূমি মাখন চন্দ্র সূত্রধর ও জালালাবাদ গ্যাসের টাস্ক ফোর্স এর সদস্য সচিব মো. আমিরুল ইসলাম। এ সময় পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যসহ জালালাবাদ গ্যাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

জালালাবাদ গ্যাসের অধিগ্রহণকৃত ভূমিতে স্থাপিত বসত বাড়ি উচ্ছেদ সম্পর্কে টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ডিজিএম আমিরুল ইসলাম বলেন, গ্যাস নিরাপত্তা আইনে রয়েছে উচ্চচাপ বিশিষ্ট গ্যাস পাইপলাইনের উভয় পাশে ন্যূনতম ১০ ফুট করে মোট ২০ ফুটের মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা বিধিবর্হিভূত। এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আগামীতে দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় আরও অভিযান পরিচালিত হবে।

তিনি জানান, এ অভিযানের পূর্বে বছরখানেক সময় ধরে কয়েকবার তাদেরকে নোটিশ দেওয়া হয়, পাশাপাশি মৌখিকভাবে অবগত করা হলেও তারা তা আমলে নেননি।


সিলেটভিউ২৪ডটকম / শাহীন / ডালিম