সিলেট আইন মহাবিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি, সিলেট কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট শামসুল ইসলাম বলেছেন, হাওর পাড়ের মানুষের একমাত্র বোরো ফসল রক্ষার প্রধান নিরাপত্তা দেয়াল হাওর বাঁধ। সেই বাঁধ নির্মাণে আমরা নানা অনিয়ম দেখতে পাচ্ছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার হাওরের ফসল রক্ষায় শত শত কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বাঁধ নির্মাণে অনিয়মকারীদের কোন ধরণের ছাড় দেওয়া যাবে না তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের নীতিমালা অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখনো বাঁধের অনেক কাজ বাকি থাকার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদাসীনতা ছাড়া আর কিছুই নয়। দ্রুত কাজ শেষ না হলে আগাম বন্যায় ফসলডুবির আশঙ্কা রয়েছে। যদি সে ধরনের কোনো বিপর্যয় তৈরি হয়, তাহলে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে না পারা বা কাজের মধ্যে ঢিলেমির দায় তারা এড়াতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চাপতির হাওরের চাতল হাওর রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- হাওর উন্নয়ন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক মনোরঞ্জন তালুকদার, সদস্য সচিব মোহাম্মদ খালেদা মিয়া, দিরাই প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মুজাহিদুল ইসলাম সর্দার, হাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সভাপতি আখলাক হোসেন, দিরাই সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এস এম উমেদ আলী, দিরাই শাল্লা যুব কল্যাণ পরিষদের সভাপতি সুরঞ্জন দাস, যুক্তরাজ্য কমিউনিটি নেতা জুনু মিয়া প্রমুখ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/এইচপি/এসডি-৪২




