সরকারি নির্দেশনায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠদান শুরু হয়েছে। ব্যতিক্রম শুধু সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের বড়খাল বহুমুখি স্কুল অ্যান্ড কলেজে।
এখানে শুরু থেকেই বন্ধ রয়েছে দশম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস ও পৌরনীতির বিষয় ভিত্তিক পাঠদান কার্যক্রম। প্রায় ১২শ’ শিক্ষার্থীর ওই প্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র দশম শ্রেণিতেই অধ্যয়ণরত ২৬০ শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সরেজমিনে গিয়ে বড়খাল বহুমুখি স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে দশম শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ পাওয়া যায়। প্রশ্নের মুখে শিক্ষার্থীরা জানায়, ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে একদিনও বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস ও পৌরনীতির ক্লাস হয়নি।
ক্লাস রুটিন অনুযায়ী দশম শ্রেণির বাংলায় প্রভাষক তাইজুল ইসলাম, ইংরেজিতে প্রভাষক আবু তাহের, ইতিহাসে সহকারী অধ্যাপক জহিরুল হাসান ভূঁইয়া ও ইতিহাসে সহকারী অধ্যাপক ফরিদ আহাম্মদ ভুঁইয়া পাঠদানের দায়িত্বে আছেন। শিক্ষার্থীরা জানায়, ওই চার শিক্ষকের কেউই একদিনও পাঠদানে আসেননি।
অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নজির আহাম্মদ বলেন, নিয়োগপত্রের শর্ত অনুযায়ী কলেজ শাখার শিক্ষকদেরকেও স্কুল শাখার কার্যক্রম পরিচালনা করার বিধান রয়েছে। কিন্তু কলেজ শাখার ওই চারজন শিক্ষক দশম শ্রেণির বিষয় ভিত্তিক পাঠদান চালু করেননি। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর ১ম নোটিশ প্রদান করা হলে তারা তা গ্রহণ করেনি। পরে ২য় নোটিশও প্রদান করা হয়েছে।
চার শিক্ষক নোটিশের প্রাপ্তিস্বীকার করে বলেন, 'আমরা বন্ধের আগে মাধ্যমিকের ক্লাস নিয়েছি। প্রতিষ্ঠান প্রধানের সিদ্ধান্ত মতে পাঠদান কার্যক্রম শুরুর পর নতুন রুটিন অনুযায়ী ক্লাস নেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও নতুন রুটিন দেওয়া হয়নি। উল্টো হঠাৎ করে আমাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমরা নোটিশের জবাব দেব।'
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান ভুঁইয়া জানান, 'কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের পরেও ক্লাস না নিলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে আলাপ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম/টিআই/এসডি-২২




