কিয়েভের উপকণ্ঠে হোস্তোমিল বিমানবন্দরে অভিযানের ফুটেজ প্রচার করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ‘পারভি কানাল-১’।
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার কোনো টেলিভিশনে ইউক্রেনে যুদ্ধের ময়দানে রুশ সেনাদের অভিযানের ফুটেজ প্রচার এই প্রথম।
খবর থেকে জানা যায়, রাশিয়ার সরকারি টেলিভিশনে অভিযানের ফুটেজ প্রচার করা হলেও বেসামরিক স্থাপনায় গোলাবর্ষণের দৃশ্য এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই ফুটেজে মূলত দোনবাসের কয়েকটি অঞ্চলে রুশ সেনাদের কাছে রসদ সরবরাহের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এই অঞ্চলে ইউক্রেন সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।
শুক্রবার প্রচারিত অভিযানের ফুটেজে রিপোর্টার দর্শকদের হোস্তোমিল বিমানবন্দরের চারপাশ দেখান; যেগুলো ছিল ধ্বংসাবশেষে পূর্ণ। এছাড়া ব্যাকগ্রাউন্ডে বিস্ফোরণেরও শব্দ শোনা যায়।
ওই সংবাদের রিপোর্টার দাবি করেন, ইউক্রেন সেনাদের গোলায় বিমানবন্দরে চারপাশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমান আন্তোনভ এএন-২২৫ এর ধ্বংসাবশেষ দেখানো হয়।
রাশিয়ার সরকারি টেলিভিশনের রিপোর্টার দাবি করেন, ইউক্রেন সেনাদের গোলাবর্ষণে বিমানটি ধ্বংস হয়েছে। যদিও ইউক্রেনের সেনাবাহিনী এবং সরকার দাবি করেছিল, বিমানটি রুশ সেনাদের আক্রমণে ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনের অ্যারোনটিকস কোম্পানি ‘আন্তোনভ’ বিমানটি বানিয়েছিল।
বিমানটি ধ্বংসের পর ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রি কুলেবা টুইটে বলেছিলেন, এটা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ এএন-২২৫ ‘ম্রিয়া’ (ইউক্রেনীয় ভাষায় এর অর্থ স্বপ্ন)। রাশিয়া হয়তো আমাদের স্বপ্ন ধ্বংস করেছে। তবে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক ইউরোপীয় রাষ্ট্র নিয়ে আমাদের স্বপ্নকে তারা কখনো ধ্বংস করতে পারবে না।
রুশ টেলিভিশনের রিপোর্টে দাবি করা হয়, হোস্তোমিল রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে ইউক্রেনের সেনারা এই দাবি প্রত্যাখান করেছেন। সিএনএন স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বিমানবন্দরটি কাদের দখলে রয়েছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-০২
সূত্র : সিএনএন




