ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রুশ হামলার পর লাগা আগুনে বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। বিবিসি শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
তবে এ ব্যাপারে ইউক্রেন সরকার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পরমাণু চুল্লিগুলো যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে সেদিকে নজর রাখছেন ওই কেন্দ্রের কর্মীরা।
তবে চুল্লির ভেতরে পরমাণু জ্বালানিকে যদি শীতল রাখা না যায়, বা কোনো ভাবে সেটা ব্যাহত করা হয়, তাহলে ব্যাপক মাত্রায় তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে হাজার হাজার মানুষ থাকেন যার রুশ গোলাবর্ষণের জন্য অন্যত্র সরে যেতে পারেননি। ফলে এরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার হতে পারেন।
তবে জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেজস্ক্রিয় পদার্থ অক্ষত আছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা আইএইএ।
জাপোরিঝিয়া পরমাণু কেন্দ্রে আগুনের ঘটনায় পরমাণু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি আরেকটি ‘চেরনোবিল’ হবে না, কিন্তু তার পরও এর ঝুঁকি ভয়াবহ।
এ ব্যাপারে শুক্রবার শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্লেয়ার কর্কহিল বলেন, আজ সকালে প্রথমবারের মতো আমি ভয় পেয়েছি।
জাপোরিঝিয়া পরমাণু কেন্দ্রের ছয় চুল্লির মধ্যে এখন মাত্র একটি চালু রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অধ্যাপক কর্কহিল বলেন, এসব চুল্লি যে ‘অফলাইন’ রয়েছে তার মানে হলো তারা পরমাণু চুল্লির কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থগুলিকে নিরাপদ এবং স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।
এদিকে এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা আইএইএ’র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি একটি বিবৃতি দিয়েছেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-৩৩
সূত্র : যুগান্তর




