মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মো. আব্দুল মান্নান খান বলেছেন, শিক্ষক প্রশিক্ষন তথা বিএড ডিগ্রী অর্জন প্রশিক্ষিত নীতিবান, দক্ষ ও উন্নত পেশাদার শিক্ষক তৈরীর জন্য অত্যাবশ্যকীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশিক্ষন ছাড়া পেশাগত জীবনে দক্ষতা অর্জন ও উন্নতি লাভ করা যায় না তেমনি আধুনিক বিশ্বে শিক্ষকতা পেশার উন্নতি ও যুগোপযোগিতার অগ্রগতিতে এমনকি পদোন্নতি লাভে বিএড ডিগ্রী অর্জন অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সিলেট মাউশি পরিচালক শুক্রবার সিলেট বিভাগের প্রথম বিএড প্রশিক্ষন প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ টিটি কলেজের ২৩তম ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য দান কালে এ কথা বলেন।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো: হাসমত উল্লাহ্’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ও সহকারী অধ্যাপক মো: আব্দুশ শাকুর ও সায়েম আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত পেশ করেন ২৩তম ব্যাচের প্রশিক্ষনার্থী আনোয়ার হোসেইন।
প্রশিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- প্রভাষক তানজিনা জামান চৌধুরী ও সহকারী অধ্যাপকবৃন্দ যথাক্রমে সুলায়মান চৌধুরী ও মনাক্কা চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- ফটো সাংবাদিক আতাউর রহমান আতা।
মাউশি সিলেটের পরিচালক আরো বলেন, শিক্ষকতা জীবনে প্রশিক্ষনের বিকল্প নেই। বর্তমান সমাজে নৈতিকতার যে অবক্ষয় দৃশ্যমান তা দূরীকরনে শিক্ষকরাই অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে পারেন। প্রশিক্ষনের মাধ্যমে অর্জিত এ ধৈর্যগুন শিক্ষকদের মধ্যেই বিদ্যমান কেননা শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ইসলাম প্রচারে ধৈর্য ধারণ করার বিষয় উল্লেখ করে প্রফেসর মান্নান বলেন, চরম ও সীমাহীন ধৈর্য ধারনের মাধ্যমে তিনি মানবতার মুক্তি সনদ ইসলাম প্রচার করেছিলেন।
তিনি প্রশিক্ষনার্থী বৃন্দকে তাঁরই পদাংক অনুসরনের উদাত্ত আহবান জানান।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিএড প্রশিক্ষনে জালালাবাদ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ সিলেট অঞ্চলে শিক্ষক প্রশিক্ষনে যে ভুমিকা পালন করছে তিনি এর প্রশংসা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উদ্যোক্ষ প্রফেসর ড. মো: হাসমত উল্লাহ ২৩তম ব্যাচের প্রশিক্ষনার্থীদের স্বাগত জানিয়ে তাদের কলেজে অনুষ্টেয় শ্রেনী কার্যক্রম, পরীক্ষাসূচীর অনুসরন ও শ্রেণী উপকরন সহ আধুনিক অংশগ্রহন মূলক শিক্ষাদান পদ্ধতি অনুসরনের গুরুত্ব আরোপ করেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-২৫




