আগামীকাল মঙ্গলবার সিলেটসহ সারা দেশে মুসলিম উম্মাহের প্রধান উৎসবের দিন, পবিত্র ঈদুল ফিতর। মঙ্গলবার রাত পোহালেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শুরু করবেন সবাই।
ঈদের কেনাকাটা প্রায় শেষ। নতুন জামা-জুতা ও শাড়ি-গহনা কেনারও তাড়া নেই। তবে ঈদ উদযাপনে প্রস্তুতি ফুরোয়নি সিলেট নগরবাসীর।
কেনাকাটা সেরে সবাই এখন নিজের সাজগোজ নিয়ে ব্যস্ত। আর সে কারণেই সিলেট মহানগরীর বিউটি পার্লার আর সেলুনগুলোতে সব বয়সী নারী-পুরুষের উপচেপড়া ভিড়। নারীরা চুল কাটা, ভ্রু প্ল্যাক, ফেসিয়াল, মেহেদী লাগাতে পার্লারে ছুটছেন।
আর পুরুষেরা চুলে ছাঁট, ফেসিয়াল, কালার ও দাড়ি কাটতে ছুটছেন সেলুনে। তবে পার্লার থেকে তুলনামূলকভাবে সিলেটের সেলুনগুলোতে ভিড় বেশি।
সোমবার (০২ মে) দিন ও রাতে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার, আম্বরখানা ও মদিনা মার্কেটের বিভিন্ন সেলুন ঘুরে দেখা গেছে- পরিবারের ছোট শিশুদের নিয়ে সেলুন যাচ্ছেন অভিভাবকেরা। আর কিশোর থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত নিজের সেলুনে ভিড় করে কাটছেন চুল-দাড়ি। অনেকে আবার ফেসিয়াল করছেন, চুল-দাড়িতে লাগাচ্ছেন মেহেদী কিংবা কালো রঙ।
সেলুনকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ঈদের সময় তারা একটি বেশি দাম নেন। বড়দের চুল কাটা হয় ১০০-১৫০ টাকায়। বাচ্চাদের চুল কাটা হয় ডিজাইন অনুযায়ী দুই-আড়াইশো টাকায়।
করোনার ভয়ে গত দুই বছরেরও বেশি সময় বিউটি পার্লার ও সেলুন যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলেছেন রূপচর্চায় মনোযোগী অনেকে। তবে সংক্রমণ কমায় এবার ঈদ ঘিরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রূপচর্চাকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য। সেলুনগুলোতে চুল কাটা, দাড়ি শেভের জন্য মানুষের লম্বা লাইন। সিরিয়াল পেতে ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা পর্যন্তও অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কেউ কেউ আবার পছন্দের নরসুন্দরের কাছে সিরিয়াল দিয়ে অপেক্ষা করছেন।
পুরুষেরা চুল কাটা, বডি ম্যাসাজ, বিভিন্ন ধরনের ফেসিয়াল, দাড়ির বিভিন্ন কাটের পাশাপাশি অনেকেই আবার সাদা চুল কালারও করছেন। বিনিময়ে নির্ধারিত সেবামূল্যের পাশাপাশি গ্রাহকরা নরসুন্দরদের ঈদ বকশিশ দিচ্ছেন। বকশিশ পেয়ে তারা খুশি।
সিলেটে ঈদের দিন ভোররাত পর্যন্ত সেলুনগুলো এভাবেই ব্যস্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন নরসুন্দররা।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডালিম/এসডি-২৭




