ফাইল ছবি
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় জমে উঠেছে তাহিরপুর উপজেলার জয়নাল আবেদীন শিমুল বাগানে। বিশাল এই শিমুল বাগানে এখন লাল ফুল নেই, তবে গাছে গাছে নতুন পাতা গজে উঠেছে। যা দেখতে দর্শানার্থীরা ভিড় করে তার সৌন্দর্য উপভোগ করছেন ।
বুধবার শিমুল বাগানে গিয়ে জানা যায়, ঈদের দিন দুপুরে বৃষ্টি হওয়ায় বাগানে পর্যটকদের আগমন কিছুটা কম হলেও বুধবার সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো দর্শনার্থীদের আগমন ঘটেছে। বাগানের চারপাশের প্রকৃতি আর কল্পনার যেনো মিলনমেলা বসেছে। বিশাল শিমুল বাগানে যেদিকেই চোখ যায় সেদিকেই সারি সারি শিমুলের সৌন্দর্য চোখে পড়ছে। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এতো বড় শিমুল বাগান দেশের আর কোথাও নেই। গাছের নিচে মাটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে শিমুলের নতুন গজানো পাতা। গাছে গাছে পাতা গুলো হালকা বাতাসে দোলছে আর থপ থপ করে চারদিকে শব্দ হচ্ছে। যা শুনে স্হানীয়দের সকালে ঘুম ভাংছে। বসন্তের মাসে অজস্র ফুটন্ত শিমুলের লাল ফুল রাঙিয়ে রাখে পুরো বাগান তেমনি গাছের নতুন পাতাগুলো চারদিকে এখন নতুন করে হাতছানি দিচ্ছে।
সূত্রে জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর তীরে ১০০ বিঘা জমির উপর জুড়ে গড়ে উঠেছে এই বিশাল শিমুল বাগান। ২০০৩ সালে ২ হাজার ৪০০ শতক জমিতে সারি সারি তিন হাজার শিমুল গাছ লাগান বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত জয়নাল আবেদীন।
শিমুল বাগান দেখতে আসা অর্পা রানী বলেন, ৫-৭ জনের একটি গ্রুপ নিয়ে এসেছেন বান্দরবান ও চট্টগ্রাম থেকে শিমুল বাগান দেখতে। ফাল্গুনে বাগানের সৌন্দর্য একরকম এখন বাগানের সৌন্দর্য অন্যরকম। অসাধারণ শিমুল বাগানের সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন বলে মনে করেন তিনি। তবে এখানে এসে খুব বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করেছি।
সিলেট থেকে ঘুরতে আসা সাদিদ আব্দুল্লাহ জানান, আমরা কয়েকজন ফাগুনেও এসেছিলাম বাগানের লাল পাপড়ি দেখতে। এখন এসেছি বাগানের সারি সারি গাছের পাতার সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
বাগান দেখতে আসা স্থানীয় ব্যবসায়ী সারোয়ার ইবনে গিয়াস জানান, ফাল্গুনে বাগানের সৌন্দর্য একরকম এখন বাগানের সৌন্দর্য অন্যরকম।
তিনি বলেন, যখনেই সময় পাই বাগান দেখতে চলে আসি। মন খারাপ থাকলে এখানে আসলে মন ভাল হয়ে যায়।
শিমুল বাগানের কেয়ার টেকার ফরিদ গাজী বলেন, ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য পর্যটক বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে বাগানের ভিতরে। এখানে রেস্টুরেন্টে খাওয়ার সু-ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে আগত পর্যটকদের যাতে কোন সমস্যা না হয় বাগানের মালিক পক্ষ থেকে তারা বিষয়টি দেখবাল করছেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/এমএআর/এসডি-১২




