সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে দেবরের হাতে ভাবি হত্যার অভিযোগে আত্মগোপনে থাকা প্রধান আসামি একরামুল হোসেনকে সিলেটের কানাইঘাট থেকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯।

রবিবার (১৫ মে) সকালে কানাইঘাট উপজেলার খুলুর মাটি গ্রামে জয়নাল মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। একরামুল জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালি ইউনিয়নের চান্দেরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে।


র‍্যাব-৯ সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে একরামুল তার বন্ধুর বাড়িতে সত্য গোপন করে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তাকে জামালগঞ্জ থানাপুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালি ইউনিয়নের চান্দেরগাও গ্রামের দুই ভাই আকমল হোসেন ও একরামুল হোসেনের মধ্যে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৯ মে সকালে বিরোধপূর্ণ আঙ্গিনায় আকমল হোসেনের স্ত্রী সুলেখা বেগম ধান শুকাতে গেলে একরাম হোসন প্রথমে বাধা দেয় ও পরে লাঠি দিয়ে ভাবি সুলেখা বেগমের মাথায় আঘাত করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় সুলেখা বেগমকে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে পাঁচদিন চিকিৎসা নেয়ার পর ১৩ মে তিনি মারা যান। মারা যাওয়ার খবর পাওয়ার পর দেবর একরামুল হোসেন গ্রাম থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেন।

সুলেখা বেগম নিহতের ঘটনায় ১৪ মে নিহতের ছেলে বাদী হয়ে একরামুলকে আসামি করে জামালগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের একদিনের মাথায় আসামিকে ধরলো র‍্যাব-৯।


সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম