টাঙ্গাইলে পুলিশ কনস্টেবল মো. কবির হোসেনের স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সোনিয়া আক্তার নামে এক গৃহবধূ।
বুধবার বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সোনিয়া আক্তার মির্জাপুরের আগ ছাওয়ালী গ্রামের মো. সরোয়ার মিয়ার মেয়ে ও ধনবাড়ী উপজেলার আমনগ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল মো. কবির হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী। কবির হোসেন মিরপুর-১৪ পুলিশ লাইন্সে কর্মরত।
সোনিয়া আক্তার বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় এক বছর আগে কবির হোসেনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন করে দুই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রেজিস্ট্রির মাধ্যমে আমাকে বিয়ে করে কবির। বিয়ের পর কবির হোসেন তার বাড়িতে না নিয়ে আমাদের বাড়িতে রেখে দেয়। এভাবে আমাদের সংসার চলতে থাকে। কবির পদোন্নতির কথা বলে কয়েক দফায় স্বর্ণালংকার বিক্রি করে প্রায় চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় কবির।
তিনি বলেন, শ্বশুরবাড়িতে নিতে বললে কবির নানা টালবাহানা শুরু করে। বিষয়টি সন্দেহ হলে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি কবির এর আগে সাত লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে আরেকটি বিয়ে করেছে। প্রথম স্ত্রীকেও তার বাবার বাড়িতে রেখেছে। এরপর শ্বশুরবাড়িতে যেতে চাইলে আমার বাবার কাছে সাত লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে কবির। কবির তার বাবা আব্দুল মোতালেবের মাধ্যমেও যৌতুক দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। আইনের আশ্রয় নিতে চাইলে নানাভাবে হুমকি ধমকি দেয়। এক পর্যায়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় কবির। এরপর থেকে বাবার বাড়িতেই আছি।
সোনিয়া আক্তার বলেন, আমি শারীরিক নির্যাতন সহ্য করেও কবিরের সংসার করতে চাইছি। সে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। বর্তমানে খুব অসহায়ভাবে জীবন যাপন করছি। আমি স্ত্রীর অধিকার দাবি করছি। স্ত্রীর অধিকারের জন্য প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সোনিয়া আক্তারের বাবা মো. সরোয়ার মিয়া, মা নাজমা বেগম ও ভাই মিরাজ সিকদার।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কনস্টেবল কবির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-১৯
সূত্র : যুগান্তর




