সিলেট মহানগরীর বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে অনেকেই নিজের বাসাবাড়ি ছেড়ে গেছেন নিরাপদ আশ্রয়ে। সেই সুযোগে বেড়েছে ছিঁচকে চোরের উপদ্রব। এ ছাড়া বন্যাদুর্গতা কয়েকটি এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এ অবস্থায় চোরদের জন্য তৈরি হয়েছে মহা সুযোগ। ইতোমধ্যে অনেকের বাসাবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটছে। চুরি ঠেকাতে পানিবন্দী অবস্থায়ও বাসিন্দারা বাসাবাড়ি পাহারা দিচ্ছেন।
গত ১০ মে থেকে সিলেটে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। সেই সঙ্গে উজান থেকে একের পর এক নামতে শুরু করে পাহাড়ি ঢল। ফলে ১১ মে থেকে সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে থাকে। আর গত ১৩ মে থেকে সিলেট নগরের নিম্ন ও সুরমা তীরবর্তী এলাকাগুলো প্লাবিত হতে থাকে। ফলে ২০০৪ সালের মতো ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেয় সিলেটে।
বন্যা পরিস্থিতির কারণে নগরের শাহজালাল উপশহর, যতরপুর, শেখঘাট, কলাপাড়া, সোনাপাড়া, মেন্দিবাগ, মাছিমপুর, ছড়ার পার, চালিবন্দর কানিশাইল, মণিপুরি রাজবাড়ি, তালতলা, জামতলা এলাকার বাসিন্দারা গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে পানিবন্দী অবস্থায় আছেন। এর মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগও বন্ধ আছে শাহজালাল উপশহর, কলাপাড়া, মেন্দিবাগ ও মাছিমপুরসহ কয়েকটি এলাকায়। এ অবস্থায় সিলেট মহানগরীতে বেড়েছে ছিঁচকে চোরের উপদ্রব।
নগরের জামতলা এলাকার বাসিন্দা ফারজানা নিশাত বলেন, ঘরের ভেতর হাঁটুপানি। চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। পরিবারের সবাই শিবগঞ্জের আরেকটি বাসায় উঠেছেন। এ সুযোগে গত বুধবার রাতে জানালার লক ভেঙে চুরির চেষ্টা করেছিল চোরেরা। তবে পাশের বাসার লোকজন টের পেয়ে চিৎকার দিলে দুই ব্যক্তিকে পালিয়ে যেতে দেখেন তারা। পরে তারা আমাদের খবর দেন। বৃহস্পতিবার দিনে গিয়ে দেখি, জানালার গ্রিল সামান্যে কেটে ফেলেছে। প্রতিবেশীরা টের না পেলে চোরেরা ঘরের সবকিছু নিয়ে যেতো।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম




