টিকটক ভিডিও তৈরির অভিযোগে নাটোরে একটি বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে।
রোববার সকালে সদর উপজেলার চন্দ্রকলা এসআই উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার চন্দ্রকলা এসআই উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় টিকটক ভিডিও তৈরির অভিযোগ এনে স্কুলের নবম শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী বেলি খাতুন, নাহিদ ও রায়হানকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।
রোববার সকালে ওই তিন শিক্ষার্থী স্কুলে এলে প্রধান শিক্ষক তাদের হাতে ছাড়পত্র ধরিয়ে দেন। এতে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করে।
এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরাও তাদের সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দেয়। তারা স্কুলের জানালাসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
খবর পেয়ে নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ সময় তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়।
নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. আফরোজা খাতুন বলেন, তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের রেজুলেশন প্রধান শিক্ষক আমাকে দেখাতে পারেননি।
বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিষয়টি চন্দ্রকলা এসআই উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান শাহ নিশ্চিত করেছেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বুলবুল আহমেদ জানান, বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা টিকটক ভিডিও তৈরি করে। তারা শিক্ষকদের অবাধ্য, কোনো নিয়ম শৃঙ্খলা মানে না। এর আগে অভিভাবকরা নানা বিষয়ে মুচলেকা দিলেও তারা সংশোধন হয়নি। তাই তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নাটোর সদর থানার ওসি নাছিম আহমেদ জানান, আটক নয়, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-১১
সূত্র : যুগান্তর




