ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম পীর চরমোনাই বলেছেন, “সিলেটে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার ও বিশুদ্ধ পানি নেই। সরকারি ত্রানের দেখা মিলছে না। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে কেউ ত্রাণ নিয়ে গেলে ক্ষুধার্ত মানুষগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ে।”
তিনি বলেন, “ভারত থেকে আসা পানির কারনে দেশে প্লাবন দেখা দিয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব নদীগুলো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারেজের সব সুইচ গেইট খুলে দেওয়ার কারনে পানি ঢুকে সব কিছু প্লাবিত হচ্ছে। বানবাসী মানুষকে লাল সংকেত দেখিয়েস ঘরবাড়ি ছাড়তে বলা হয়েছে। তারপরও সরকার বলে দিল্লি তাদের পরম বন্ধু। দিল্লীর কাছ থেকে পরামর্শ ও কৌশল শিখতে চায় আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা। এ সরকারকেও জনগণ একদিন লাল সংকেত দেখিয়ে নিরাপদে যেতে বলবে, সেদিন আর বেশী দূরে নয়।”
বুধবার (২২ জুন) সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গণদোয়া ও ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসে পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন।
পীর চরমোনাই বলেন, “সিলেট, সুনামগঞ্জে যখন বন্যা কবলিত মানুষজন যখন হাহাকার করছে, তখন হেলিকপ্টার দিয়ে ঘুরে আর এসির নিচে বসে দুই-একটি মুখরোচক কথা বলেই সরকার দায় এড়াতে চাইছে। এ সরকার কখনো মানুষের কল্যাণে কাজ করেনি। দুর্ভোগে থাকা মানুষদের সাথে সব সময় তামাশা করে যাচ্ছে।”
পীর চরমোনাই সুনামগঞ্জের গোবিন্দগঞ্জ ও সিলেটের লামাকাজী, হরিপুর এলাকার বন্যা কবলিত এলাকায় দোয়া মাহফিলে শরিক হয়ে অসহায় দুস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি দেলওয়ার হোসেন সাকি, ঢাকা মহানগনগর উত্তরের সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, মুফতী ওয়ালীউল্লাহ কাসেমী, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ডাঃ মুজিবুর রহমান, সহকারী দফতর সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন, সিলেট মহানগরের সভাপতি নজির আহমদ, জেলা সভাপতি মুফতি সাঈদ আহমদ, মহানগর সহ সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, জেলার সহ সভাপতি মাওলানা আমির উদ্দিন, জেলা সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা এমাদ উদ্দিন সহ জেলা ও মহানগ নেতৃবৃন্দ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-১৭




