সিলেট'র জৈন্তাপুর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতি হয়েছে। ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে চারিকাটা, জৈন্তাপুর, দরবস্ত, ফতেপুর ও চিকনাগুল ইউনিয়নের নীচু এলাকার অনেক বাড়ি ঘরে এখনও পানি রয়েছে।

 


নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে পানি বন্ধি  মানুষের কষ্টের শেষ নেই। উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে এখনও কয়েক হাজার মানুষ অবস্থান করছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তিগত উদ্যােগে শুকনো খাবারের পাশাপাশি আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে রান্না করা খাবার বিতরণ করছে।

দুর্গম এলাকায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ব্যক্তিগত উদ্যােগে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ অব্যাহত রেখেছে। বন্যায় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বহু মানুষের বসতবাড়ি ধ্বংশ হয়ে গেছে।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল আহমদ, উপজেলা নিবার্হী অফিসার আল-বশিরুল ইসলাম, সহকারি কমিশনর (ভূমি) ররিপামনি দেবী সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ বন্যা দূর্গত এলাকায় প্রতিদিন বন্যার্ত মানুষের মধ্যে সরকারী ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করে যাচ্ছে।

 

ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিক আহমদ জানান, বন্যায় ফতেপুর ইউনিয়নের হেমু তিনপাড়া, মাঝেরটুল, হাউদপাড়া, জুয়াইটুল, লামাশ্যামপুর, কাউতগ্রাম, নয়াগ্রাম, বালিপাড়াগ্রাম সহ আর অনেক এলাকার বহু পরিবারের বসতবাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বন্যা পুনরবার্সন কাজে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মধ্যে সরকারী পর্যাপ্ত ত্রাণসহ গৃহ নিমার্ণে বরাদ্ধ দেয়ার আহবান জানান।

 

দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার জানান, দরবস্ত ইউনিয়নের গর্দ্দনা, সেনগ্রাম, মহালীখলা, চাল্লাইন, কাঞ্জরগ্রাম, মানিকপাড়া, ছাতারখাই গ্রামের মানুষ এখনও  পানি বন্ধি অবস্থায় আছে।

তিনি বলেন, দরবস্তে  এখন পর্যন্ত ৬ টি আশ্রয় কেন্দ্রে কয়েক হাজার মানুষ অবস্থান করছে।  বন্যা পুনরবার্সন কাজে ত্রাণ সহায়তা ও গৃহ নির্মাণে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়ার আহবান জানান।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার আল- বশিরুল ইসলাম জানান, উপজেলার নিজপাট, জৈন্তাপুর, চারিকাটা ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন  রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তিগত ভাবে ত্রাণ সহায়তা চলমান রয়েছে।

 

তিনি আরোও জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। সরকার তাদেরকে পুনরবার্সন'র ব্যবস্থা করবে। বন্যায় রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গবাদিপশু, ফিসারী সহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/এমএইচ/এসডি-৪২