সিলেট-সুনামগঞ্জের দুই হাজার বানভাসি পরিবারকে মানবিক খাদ্যসহায়তা প্রদান করেছে মননশীল তারুণ্যের টিম ‘দুঃসময়ে আমরা’ (দুআ)।
এরমধ্যে পাঁচ শতাধিক পরিবারকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও বাকিদের শুকনো খাবার দেয়া হয়।
তিন ধাপে দুই জেলার ১২ উপজেলার ২২ টি ইউনিয়ন 'দুআ'র খাদ্যসহায়তার আওতায় আসে।
উপজেলাগুলো হল- সিলেটের সদর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর, জৈন্তাপুর, দক্ষিণ সুরমা, সুনামগঞ্জের সদর, শান্তিগঞ্জ, দিরাই, ছাতক ও জগন্নাথপুর উপজেলা।
‘দুআ’র খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দিতে টিমে ছিলেন- নোমান বিন আরমান, নাওয়াজ মারজান, কবির আহমদ খান, হুসাইন মুহাম্মদ ফাহিম, আদিব আহমদ, আবু সাঈদ ইসহাক, আহমদ উল্লাহ রাইয়ান, শরিফ আহমদ।
তৃতীয় ধাপের খাদ্যসহায়তা বিতরণ সম্পন্ন হয় ২৪ জুন, দ্বিতীয় ধাপের ২২ জুন ও প্রথম ধাপের ১৯ জুন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ৫০০ শতাধিক প্যাকের প্রত্যেকটিতে ছিলো ১ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, আলু, পেয়াজ, লবণ, রসুন।
ইউনিয়নভিত্তিক প্যাক পৌঁছানোর কো-অর্ডিনেটর ছিলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের মাওলানা তাজুল ইসলাম হাবিবী, লক্ষণশ্রী ইউনিয়নে আহমেদ ফয়েজ সায়েম, মোহনপুর ইউনিয়নে আবু ফয়েজ, মংলিপাড়ে মোবারক হোসাইন, দিরাইর রাজানগর ইউনিয়নে সুফিয়ান তালুকদার, ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নে ফায়যুর রাহমান, চরমহল্লা ইউনিয়নে হাফিজ আহমাদ হারুন, শান্তিগঞ্জের জয়কলস ইউনিয়নে মাওলানা রশিদ আহমদ, আস্তমার আফসার উদ্দিন, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে শামীম আহমদ, পাঁচগাওয়ে মাহবুব খান, দরগাপাশা ইউনিয়নে আব্দুর রাহমান জামী, জগন্নাথপুর কলকলিয়া ইউনিয়নে সাইদুল ইসলাম।
এছাড়াও সিলেটে সদর উপজেলার মোল্লারগাও, দক্ষিণ সুরমার সিলাম, জৈন্তাপুরের নিজপাট, দক্ষিণ সুরমার সিলাম, কোম্পানীগঞ্জের খাগাইল, গোয়াইনঘাটের ডৌবাড়ী, হাকুরবাজার, বিশ্বনাথের লামাকাজী, বালাগঞ্জের গহরপুর ও ওসমানীন নগরে খাদ্যসহায়তা পাঠানো হয়।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ প্রেবি/শাদিআচৌ




