আগামীকাল রোববার (১০ জুলাই) মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। এদিন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী পশু কুরবানি করবেন মুসলমানরা। তাই কুরবানিকে কেন্দ্র করে পশুর চামড়া যাতে নষ্ট না হয় সেজন্যে চামড়া ছাড়ানো ও সঠিকভাবে সংরক্ষণের নানা উদ্যোগ নিয়েছে বিসিক জেলা কর্যালয় সিলেট। জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে পশুর হাটে ব্যানার স্থাপন, লিফলেট বিতরণম মাইকিং এবং গ্রাহকদের কাছে সৌজন্যমূলক লবন সরবরাহ করা হয়।

এ বিষেয়ে বিসিক জেলা কর্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক জনাব ম. সুহেল হাওলাদার বলেন, চামড়া আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ। কুরবানির পশুর চামড়া লবন দিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। বিসিক জেলা কার্যালয় সিলেট কর্তৃক চামড়া ছাড়ানোর নিয়ম ও সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। চামড়া ছাড়ানোর পরে সংরক্ষণের জন্য গরু বা মহিষের জন্য ৮/১০ কেজি এবং ছাগল বা ভেড়ার জন্য ৪/৫ কেজি শিল্প লবন প্রয়োজন। এ বছর রেকর্ড পরিমান লবন উৎপাদন হয়েছে এবং বাজারে লবনের কোনো ঘাটতি নাই। কোনো সিন্ডিকেট যাতে লবন বা চামড়া নিয়ে কারসাজি করতে না পারে তার জন্যও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। 


তিনি বলেন, ঢাকার বাইরে সিলেটসহ সব জায়গায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ৪০ থেকে ৪৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  গত বছর যা ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা ছিল।

এছাড়া সারা দেশে লবণযুক্ত খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা, আর বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম