(প্রতীকী ছবি)

১১ বছর আগে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন মেয়েজামাই আয়াতুল ইসলাম। পরে নিজের শাশুড়িকেই বিয়ে করে নতুন সংসার পাতেন তিনি। এ ঘটনায় জামাই আয়াতুলের বিরুদ্ধে মামলাও করেন তার শ্বশুর মতি মিয়া। ঘটনাটি ২০১১ সালে ঘটেছিলো নেত্রকোণার মােহনগঞ্জ উপজেলায়।

শাশুড়ি নিয়ে পালিয়ে সিলেটেও এসে বসবাস করেছিলেন আয়াতুল। অবশেষে শ্বশুরের দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন সেই জামাই। 


রােববার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে দশটার দিকে নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মােহনগঞ্জ থানার পুলিশ। গ্রেফতার আয়াতুল মােহনগঞ্জ উপজেলার সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের মেদিপাথরখাটা গ্রামের শাহ জামালের ছেলে।

২০১১ সালে করা শ্বশুরের মামলায় ২০১৩ সালে আয়াতুলকে এক বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। পাশাপাশি দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়। এই অর্থ অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। কিন্তু রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের মতি মিয়ার মেয়ে মরিয়মকে বিয়ে করেছিলেন আয়াতুল। কিন্তু বিয়ের পর শাশুড়ি নাসরিনের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে তার। পরে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে সিলেটে এসে বিয়ে করে কয়েক মাস তারা একত্রে বসবাস করেন। 

পরবর্তীতে এ ঘটনায় শ্বশুর মতি মিয়া বাদী হয়ে আয়াতুলকে আসামি করে মোহনগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে বছর দেড়েক আগে মামলার বাদী মতি মিয়া মারা গেছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

মোহনগঞ্জ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আজ সোমবার (২৫ জুলাই) সকালে আায়তুলকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 


সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডি.আর