দক্ষিণ সুরমার কুচাই ইউনিয়নে সুষ্ঠুভাবে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস বিন্যাস করার দাবিতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ জুলাই) স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে স্মারকলিপি প্রদান করেন শাহী ক্লাবের প্রেসিডেন্ট শায়খ মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রক্রিয়াধীন সিলেট নগরীর ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ একটি ভালো উদ্যেগ কিন্তু যুক্তিসংগত হওয়া প্রয়োজন। সর্বশেষ সিলেট শহর ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ নোটিসে নগরের সবচেয়ে কাছের এবং গুরুত্বপূর্ন প্রাচীন জনপদ শ্রীরামপুর সহ কুচাই ইউনিয়নকে সবচেয়ে শেষের ওয়ার্ডে চিহিৃত করা হয়েছে, যা ক্রমানুসারে না হওয়ায় নাগরিকদের বিভ্রান্তির কারন হবে। উদাহরণস্বরূপ ওয়ার্ড নং ২৭ এর পরের ওয়ার্ড ৪০ হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে।আমরা উক্ত এলাকার জনগন অনুরোধ করছি নগর ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ নোটিসে কুচাই ইউনিয়নের মৌজাগুলোকে পরিকল্পিতভাবে নিম্মোক্ত উপায়ে নাম্বারিং করা।
ক) গোটাটিকর, আলমপুর, মনিপুর এবং হবিনন্দি মৌজার অবশিষ্ট অংশের জনসাধারনের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য বজায় রেখে ভবিষ্যৎ বিভ্রান্তিমুক্ত রাখতে ২৭ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভূক্ত করুন।
খ) সম্পূর্ন পালপুর, রুগনপুর ও কুচাই মৌজা নিয়ে গঠিত ওয়ার্ড ২৮ নং ওয়ার্ডে চিহিৃত করুন।
গ) সম্পূর্ন পশ্চিমভাগ মৌজা নিয়ে গঠিত ওয়ার্ড ২৯ নং ওয়ার্ডে চিহিৃত করুন।
ঘ) সম্পূর্ন শ্রীরামপুর ও তৈয়ব সুলতান মৌজা নিয়ে গঠিত ওয়ার্ড ৩০ নং ওয়ার্ডে চিহিৃত করুন।
ঙ) যেহেতু উপরে উল্লেখিত ওয়ার্ডগুলোর সীমানা বৃহৎ, প্রয়োজনে কুচাই ও বরইকান্দির বর্ধিত এলাকায় আরো নতুন তিনটি ওয়ার্ডের সৃষ্টি করুন।
আমরা পূর্বেও অবগত করেছিলাম এবং এখনো অনুরোধ করছি ভৌগলিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিয্য বজায় রেখে পুরো কুচাই ইউনিয়ননের অন্তর্ভুক্ত এলাকাকে উপরে বর্নিত ক্রমানুসারে ধারাবাহিকভাবে ২৭,২৮,২৯ ও ৩০ নং ওয়ার্ডে চিহ্নিত করে নগরীর অন্তর্ভূক্ত করুন।
উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে দীর্ঘমেয়াদী শহর উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পুরো কুচাই ইউনিয়ন অন্তর্ভূক্ত করে উল্লেখিত ক্রম অনুসারে ওয়ার্ডে বিভক্ত করুন। পরবর্তী ধাপে নগর মহাপরিকল্পনার আওতায় পুরো মেট্রোপলিটন এলাকা দক্ষিন ও উত্তর সুরমা এবং কাছাকাছি গোলাপগন্জ, বালাগঞ্জ উপজেলার এবং অপরাপর উপজেলার অংশ নগরের অন্তর্ভূক্ত করে আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটকে সুপরিকল্পিত বিশ্বমানের শহরে রূপান্তর করা সময়ের দাবী।
স্মারকলিপিতে তারা সিলেট শহর বর্ধিতকরণ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হওয়ায় আমরা শাহজালাল (রহ:) ও ৩৬০ আউলিয়ার পূন্যভূমি সিলেটের জনসাধারণ সিলেটের এম.পি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ও সিলেট জেলা প্রশাসক, সিলেট নগরপিতা এবং নগরবর্ধিতকরণ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/সবি/ইআ




