আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দুই লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কিনতে ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্পের খসড়া অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার রাজধানীর নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশনের এক সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়টি জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।


ইসি সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত খসরায় তিনটি খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে আছে প্রায় দুই লাখ ইভিএম কেনা, ইভিএমে সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং ইভিএম–সংক্রান্ত জনবল তৈরি।

ইভিএম নিয়ে শুরু থেকেই রয়েছে বিতর্ক। বিএনপিসহ দেশের অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দল শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করেছে। গত আগস্টে ইসির সংলাপে ২২টি রাজনৈতিক দল ইভিএম নিয়ে মতামত দিয়েছিল। এর মধ্যে নয়টি দল সরাসরি ইভিএমের বিপক্ষে মত দিয়েছে। আরও পাঁচটি দল ইভিএম নিয়ে সংশয় ও সন্দেহের কথা বলেছে। কেবল আওয়ামী লীগসহ চারটি দল ইভিএমে ভোট চেয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনও মনে করে ইভিএমেও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব।

বিএনপিসহ বিরোধীরা ইভিএমে ভোটের সিদ্ধান্তকে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক চাপ বলে আখ্যা দিলেও সিদ্ধান্তটি ইসির নিজস্ব বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রবিবার আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর সাংবাদিকদের একথা বলেন।

এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশিদা সুলতানা বলেছেন, আমরা যদি বুঝি এটা দিয়ে ভালো নির্বাচন করা সম্ভব তাহলে ইভিএম কে চাইল কে চাইল না এটা কি মেটার করে? ইলেকশনটা তো আমাদেরকেই নামাতে হবে। অন্য কেউ তো ইলেকশনটা করে দেবে না।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ঢাটা/ইআ-২১