এই থাইল্যান্ড পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছিল। ভারতের তাই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। হালকাভাবে নেয়ওনি স্মৃতি মান্ধানার দল। মাঠের খেলায় তারা একবিন্দুও ছাড় দেয়নি থাই মেয়েদের।

 


১৫.১ ওভারেই থাইল্যান্ডকে ৩৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৯ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে ভারতের মেয়েরা। ৮৪ বল হাতে রেখে পাওয়া জয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা।

 

ভারতের এই জয়ে বাংলাদেশের সেমির আশা বেঁচে রইলো। ৫ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে এখন পাঁচ নম্বরে নিগার সুলতানার দল। ৬ ম্যাচে ৩ জয়ে চারে থাইল্যান্ড। নিজেদের শেষ ম্যাচে আরব আমিরাতের বিপক্ষে জিতলেই শেষ চারে চলে যাবে টাইগ্রেসরা।

 

তখন থাইল্যান্ডের সমান ৩ জয় হবে বাংলাদেশের। কিন্তু রানরেটে এগিয়ে থাকায় সেমিফাইনালে উঠবে নিগার সুলতানার দলই।

 

সিলেটে ভারতের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটামুটি খারাপ ছিল না থাইল্যান্ডের। একটা সময় ১ উইকেটে ছিল ২০ রান। সেখান থেকে আর মাত্র ১৭ রান তুলতে বাকি ৯ উইকেট হারিয়ে বসে থাই মেয়েরা। ওপেনার নানাপথ (১২) ছাড়া বাকিদের কেউ দুই অংকের ঘরও ছুঁতে পারেননি।

 

ভারতের স্নেহা রানা ৯ রানে নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া দুটি করে উইকেট পান রাজেশ্বরী গাঁয়কদ ও দীপ্তি শর্মা।

 

জবাবে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই জয় তুলে নেয় ভারত। ব্যক্তিগত ৮ রানে শেফালি ভার্মা ফেরার পর বাকি পথটুকু অনায়াসে পাড়ি দিয়েছেন শাভেনেনি মেঘানা এবং পুজা ভ্রাস্তাকর। মেঘানা ১৮ বলে ২০ আর ভ্রাস্তাকর ১২ বলে ১২ রানে অপরাজিত থেকে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-০৪


সূত্র : জাগোনিউজ