তৃতীয় দিন শেষেই চাপে ছিল তামিম ইকবাল, পিনাক ঘোষ, সৈকত আলী, পারভেজ ইমন আর ইরফান শুক্কুরের চট্টগ্রাম। শেষ পর্যন্ত আর ওই ঘাটতি পোষানো সম্ভব হয়নি। জাকির হাসান, অমিত হাসান, তৌফিক খান, নাইম আহমেদ আর নাবিল সামাদের গড়া তারুণ্য নির্ভর সিলেটের কাছে ৯ উইকেটের হার দিয়ে শুরু হলো এবারের জাতীয় লিগে চট্টগ্রামের যাত্রা।

 


মূলতঃ প্রথম ইনিংসে ১৪১ রানে অলআউট হওয়াই সার। জবাবে সিলেটের তরুণরা ৩১২ রান করে ফেললে ১৭১ রানে পিছিয়ে পড়ে চট্টগ্রাম। বোলার হাসান মুরাদের ৮ উইকেটও পরাজয় বাঁচাতে পারলো না চট্টগ্রামের।

 

গতকাল বুধবার তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ইরফান শুক্কুরের দলের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১৬৯। অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ২০ আর তরুণ পারভেজ ইমন ১৪ রানে ব্যাট করছিলেন; কিন্তু আজ চতুর্থ ও শেষদিনে তারা দলকে তেমন কিছুই দিতে পারেননি।

 

ইরফান শুক্কুর ২৩ আর পারভেজ ইমন ১৬ রানে আউট হয়ে গেছেন। নিচের দিকে ইরফান সাজ্জাদ (১৭) আর ৮ উইকেট পাওয়া বাঁ-হাতি স্পিনার হাসান মুরাদ (১৭) চেষ্টা করেও স্কোরলাইন লম্বা করতে পারেননি।

 

অফস্পিনার নাইম আহমেদ আর বাঁ-হাতি স্পিনার নাবিল সামাদ চট্টগ্রামের মিডল ও লেট অর্ডারের টুঁটি চেপে ধরেন। এতে করে ২২১ রানে শেষ হয়ে যায় চট্টগ্রামের দ্বিতীয় ইনিংস। ২৪ বছর বয়সী অফস্পিনার নাইম আহমেদ ৪২ রানে ৫ উইকেট দখল করেন।

 

আর বাঁ-হাতি স্পিনার নাবিল সামাদের ঝুলিতে জমা পড়ে ৪ উইকেট (৫৮ রানে)। এ দুই বোলারই আসলে সিলেটের জয়ের মঞ্চ তৈরি করে দেন। জিততে জাকির হাসানের দলের প্রয়োজন পড়ে মাত্র ৫১ রানের।

 

ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন তান্না (১) শুরুতে আউট হয়ে গেলেও আরেক ওপেনার তৌফিক খান (৩৫*) অমিত হাসান (১৫*) দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।

 

চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংস: ১৪১/১০, ৮০.১ ওভার ও দ্বিতীয় ইনিংস: ২২১/১০, ১১৯.৩ ওভার (সাব্বির হোসেন ৫৫, তামিম ইকবাল ২০, পিনাক ঘোষ ১৫, সৈকত আলী ৩২, পারভেজ হোসেন ইমন১৬*, ইরফান শুক্কুর ২৩, হাসান মুরাদ ১৭, ইফতেখার সাজ্জাদ ১৭, নাইম আহমেদ ৫/৪২ নাবিল সামাদ ৪/৫৮)।

 

সিলেট প্রথম ইনিংস: ৩১২/১০ , ৯৯.৫ ওভার ও দ্বিতীয় ইনিংস: ৫২/১, ৭.৫ ওভার (ইমতিয়াজ তান্না ১, তৌফিক খান ৩৫*, অমিত হাসান ১৫*)।

ফল: সিলেট ৯ উইকেটে জয়ী।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-১৭


সূত্র : জাগোনিউজ