মধ্যখানে আর মাত্র একদিন। আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নির্বাচন ঘিরে চলছে শেষ মূহুর্তের প্রচারণা ও হিসেব-নিকেশ।

জেলা পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডেও (ফেঞ্চুগঞ্জ) চলছে নানা সমীকরণ। এই ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী হয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন- আব্দুল আওয়াল কয়েস, নাহিদ হাসান চৌধুরী, শহিদুর রহমান রুমান। তিনজনই আওয়ামী লীগের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত থাকায় বিপাকে পড়েছেন দলীয় ভোটাররা। 


নির্বাচনে হাতি মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আব্দুল আওয়াল কয়েস। ঘুড়ি মার্কায় নাহিদ হাসান চৌধুরী ও তালা মার্কায় নির্বাচন করছেন শহিদুর রহমান রুমান। 

জানা গেছে, আব্দুল আওয়াল কয়েসের জন্য কাজ করছে উপজেলার সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীরা। আর নাহিদ হাসান চৌধুরীর সাথে আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশ ও বর্তমান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এবং শহিদূর রহমান রুমানকে সমর্থন দিয়েছেন বর্তমান উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতৃবৃন্দ। 

মূলত: এই ৩ প্রার্থীকে ঘিরে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীর ভোটও ৩ ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। তবে ভোটাররা প্রকাশ্যে কোনো কারো পক্ষেই কাজ করছেন না। 

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভোটার জানান-, তিনজনই একই ঘরের। আমরা কিছুটা বিব্রত। 

ভোটারদের বক্তব্য- নাহিদ হাসান চৌধুরী এক দিকে আর মাইজগাঁও থেকে কয়েস বা রুমান যে কোনো একজন মূল ভোট লড়াইয়ে চলে আসবেন।

তবে সব হিসাব-নিকাশ শেষে ১৭ অক্টোবর বিকেলই বলতে পারবে কয়েসের হাতি উঠে দাঁড়াবে, নাহিদের ঘুড়ি আকাশে উড়বে, নাকি উন্নয়নের তালা খুলবে রুমানের।


সিলেটভিউ২৪ডটকম / ফরিদ / ডি.আর