আগামী ২রা নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক দু’বারের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিনের ‘হ্যাঙ্গার’ মার্কার সমর্থনে ৩নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে নিজের বক্তব্যে মেয়র প্রার্থী জালালের ছোট ভাই যুক্তরাজ্যের রচডেল বিএনপির সভাপতি মঈন উদ্দিন বলেন, ‘আমার ভাই জালাল উদ্দিন মেয়র নির্বাচিত হলে পৌর ভবন হবে বিশ্বনাথের দক্ষিণপাড়ে। আর তিনি বিগত সময়ের মতো সমতা ও নিষ্ঠার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করবেন। উন্নয়নের কাজে কোন স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম-দূর্নীতি করবেন না।’
মঈন উদ্দিনের এমন বক্তব্যে বিশ্বনাথের তথা বাসিয়া নদীর উত্তরপাড়েরের ভোটারদের মনে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কারণ নির্বাচনের পূর্বেই যদি জালাল উদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা কিংবা তার অনুসারীরা বিশ্বনাথ পৌরসভার উন্নয়নের ক্ষেত্রে দক্ষিণপাড়কে উত্তরপাড় থেকে আলাদা করে নেন, তাহলে তিনি নির্বাচিত হলে উত্তরপাড়ের বাসিন্দাদের কপালে অহেলা-বঞ্চনা ছাড়া আর কি অপেক্ষা করছে? তা জানা নেই কোন ভোটারের।
একই মঞ্চে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উত্তরপাড়ের জানাইয়া (মশুলা) গ্রামের বাসিন্দা, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গৌছ খান। কিন্তু একটি উঠান বৈঠকে স্বতন্ত্র মেয়র জালাল উদ্দিনের ছোট ভাই মঈন উদ্দিনের বক্তব্যে বিশ্বনাথ পৌরসভাকে এভাবে দক্ষিণপাড় বা উত্তরপাড় আলাদা হওয়ার ব্যাপারে কোন প্রতিবাদ করেননি। বরং একটু ছোট্টা হাসি দেন।
এরপর নিজের বক্তব্যে গৌছ খান বলেন, ‘বিএনপি দলীয়ভাবে এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ না নিলেও বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে আমরা কাউকে খালি মাঠে গোল করতে দেব না বলেই জালাল ভাইকে প্রার্থী করেছি। আর জালাল ভাই বিএনপি থেকে বহিস্কৃতও হননি। তিনি বিএনপির একজন ত্যাগী নেতা।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম/অপু/ইআ-০৮




