সিলেটের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি’র নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।

 


বুধবার (১৬ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপসচিব ড. মো. ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের অনুমোদনক্রমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ধারা ৩১(১) অনুযায়ী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হককে সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো।’

 

যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চারবছর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ অনুযায়ী তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে উপাচার্য হিসবে দায়িত্বপালনকালে তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বেতনভাতা ও পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাবেন। তবে রাষ্ট্রপতি ও আচার্য যে কোনো সময় এই নিয়োগ আদেশ বাতিল করতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

 

অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাবির পলিটিক্যাল স্টাডিজ ও পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (পিএসএ) বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। পড়াশোনা শেষে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। শাবির সাবেক শিক্ষাথীর্দের মধ্যে থেকে তিনিই প্রথম কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন। তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তানগরে।

 

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) নামক একটি পরিবেশবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এর মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায়ও তিনি কাজ করছেন। হাওড় বেষ্টিত এলাকার পরিবেশ, সেখানকার জনজীবন এবং নদ-নদী নিয়ে তাঁর গবেষণাও রয়েছে।

 

নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে অধ্যাপক জহিরুল হক ‘সিলেট ভিউ’কে বলেন, ‘মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। সাস্টিয়ানদের (শাবি শিক্ষার্থী) মধ্যে এই প্রথম কেউ উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে। এটি আমার জন্য অনেক আনন্দের।’

 

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের মধ্যে নিজেকে সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য দাবি করে তিনি বলেন, ‘এতে নিজের মধ্যে অন্যরকম একটি অনুভূতিও কাজ করছে। তবে আমি যেহেতু শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছি; তাই ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ও ছুটি প্রয়োজন। এটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

 

নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্বপালনে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/নোমান/এসডি-২৩