সিলেট নগরীর সোনারপাড়া নবারুন আবাসিক এলাকার নির্মাণাধীন এসপি টাওয়ারে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি সাজ্জাদুর রহমান মুন্না গ্রেপ্তার হয়েছে।

 


সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশ বুধবার রাতে ফেঞ্চুগঞ্জ টোলপ্লাজা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

 

এদিকে বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত সাজ্জাদুর রহমান মুন্না সোনারপাড়ার নবারুন-২ আবাসিক এলাকার হিরা মিয়ার পুত্র।

 

এ মামলায় তার ভাই বেলাল আহমদ পলাতক রয়েছে।

পুলিশ জানায়, ২০২১ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর কুলাউড়ার ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ একেএম নজরুল ইসলামের মালিকানাধীন নবারুন ২/এ এসপি টাওয়ার-৩ কাজ চলার সময় সশস্ত্র অবস্থায় গিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন সাজ্জাদুর রহমান মুন্না ও তার ভাই বেলাল আহমদ। পরে চাঁদা না দেওয়ায় তারা শ্রমিকদের হুমকি দিয়ে কাজ বন্ধ রাখে। এ ঘটনায় টাওয়ারের মালিক বাদি হয়ে সিলেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে চাঁদাবাজির মামলা করেন।

 

আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন- পিবিআইয়ে পাঠালে তদন্তে চাঁদা দাবির সত্যতা মিলে। মামলায় আসামি মুন্না ও তার ভাই বেলালকে অভিযুক্ত করে গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর মাসে পিবিআই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। চার্জশিট পাওয়ার পর আদালতের মুন্না ও তার ভাই বেলালের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন।

 

এদিকে পলাতক আসামি থাকায় আসামি সাজ্জাদুর রহমানকে বুধবার রাতে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশ আটক করে। পরে সিলেটের শাহপরান থানা পুলিশ গিয়ে আসামি মুন্নাকে থানায় নিয়ে আসে।

 

শাহপরান থানার ওসি আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারী পরোয়ানাভুক্ত আসামি হওয়ার কারনে সাজ্জাদুর রহমান মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হলে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

বাদিপক্ষের আইনজীবি এডভোকেট ইকবাল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, মুন্নাকে আদালতে হাজির করা হলেও জামিন শুনানী হয়নি। পরে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

 

তিনি জানান, চাদাবাজির মামলায় পিবিআই চার্জশিট প্রদানের পর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছিলো।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ওখ/এসডি-২৬