কুলাউড়ায় মুক্ত দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য, সাবেক ডেপুটি সার্জেন্ট-অ্যাট আর্মস ও স্কোয়াড্রন লীডার (অব.) সাদরুল আহমেদ খানের দুইদিনব্যাপী কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়ে তার এ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
দুইদিনব্যাপী লিফলেট বিতরণ ও পদযাত্রা শেষে মঙ্গলবার রাতে শহরের এক অভিজাত রেস্টুরেন্টে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা অনুষ্ঠান ও তাদের সৌজন্যে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী রজব আলী, বিভাস চন্দ্র দেভ, রঞ্জিত চন্দ্র শীল, মো. অমর আতিক, নীলয় কুমার ভট্টাচার্য, সুশীল সেনগুপ্ত ও লেমে চন্দ্র দাস।
এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরী, কুলাউড়া পল্লি চিকিৎসক সমিতির সভাপতি ডা. নারায়ণ চন্দ্র দাস ও সম্পাদক আহমদ আলী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধের সময়ের নিজেদের অভিজ্ঞতা স্মৃতিচারণ করলে উপস্থিতিদের মাঝে এক আবেগময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
বক্তব্যে আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য, সাবেক ডেপুটি সার্জেন্ট-অ্যাট আর্মস ও স্কোয়াড্রন লীডার (অব.) সাদরুল আহমেদ খান বলেন, আমরা বর্তমান প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধের চেতনাকে ধারণ করি। তারই লক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে এই আয়োজন। কুলাউড়া উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভায় যে পদযাত্রা ছিল- সেটি ছিল শেকড়ের সন্ধানেই আমাদের পথচলা।
জানা যায়, কুলাউড়া মুক্ত দিবসকে স্মরণীয় করতে এবং তরুণ প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য ইতিহাস, মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করা ও মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের এই নেতা।
‘অব্যাহত ধারাবাহিক উন্নয়ন, বিবেক নয় বন্ধন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি দুটি পর্যায়ে মুক্ত দিবসের আয়োজন করেন।
এরমধ্যে ছিল ৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় শরীফপুর, হাজীপুর, টিলাগাঁও, ব্রাহ্মণবাজার, বরমচাল ও ভাটেরা ইউনিয়নে বিজয় র্যালি দৌড়। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় ১৩ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভায় একযোগে পতাকা উত্তোলন।
পরদিন ৭ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে কাদিপুর, ভূকশিমইল, জয়চণ্ডী, কুলাউড়া সদর, কর্মধা, পৃথিমপাশা ও রাউৎগাঁও ইউনিয়নে বিজয় র্যালি দৌড় অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/অনি/ইআ-১৩




