তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে বেশ জমে উঠেছে মিরপুর টেস্ট। মাত্র ১৪৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি ভারতীয় ব্যাটাররা। মিরাজ-সাকিবদের ঘূর্ণিতে মাত্র ৪৫ রান তুলতেই হারিয়েছে মূল্যবান চারটি উইকেট। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ৬ উইকেট। অন্যদিকে ভারতের দরকার ১০০ রান।

মাত্র ১৪৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারের এক ওপেনারকে হারায় ভারত। সাকিব আল হাসানের বলে মাত্র ৩ রানে কটবিহাইন্ড হন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে নেমে ৬ রানে স্ট্যাম্পিং হন পূজারা। আর একই ভাবে ৭ রানে ফেরেন শুভমান গিল। ২২ বল খেলে ১ রানে আউট হন কোহলি। তিনটি উইকেটই নেন মেহেদি হাসান মিরাজ।


এর আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২২৭ রানে থামে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩১৪ রান তুলে সফররত ভারত। ফলে প্রথম ইনিংস শেষে ৮৭ রানের লিড নেয় লোকেশ রাহুল বাহিনী। দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকেলে বিনা উইকেটে ৭ রান তুলে স্বাগতিকরা।

তৃতীয় দিনের শুরুতে ব্যাট করতে নামেন আগের দিনের দুই অপরাজিত টাইগার ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ও জাকির হাসান। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের করা দিনের দ্বিতীয় ওভারে ব্যক্তিগত ৫ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন শান্ত। আর ৫ রানে সিরাজের করে কটবিহাইন্ড হন মুমিনুল হক।

সুবিধা করতে পারেননি দলের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। জয়দেব উনাদকাটের বলে শুভমান গিলের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে ৩৭ বলে ১৩ রান করেন দলনেতা সাকিব আল হাসান। আর ১৯ বলে ৯ রান করে আউট হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। রানের খাতা খুলতে পারেননি মেহেদি হাসান মিরাজ।

অষ্টম উইকেট জুটিতে তাসকিন আহমেদকে নিয়ে দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন লিটন কুমার দাস। দুজন মিলে গড়েন ৬০ রানের জুটি। ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন লিটন দাস। সুযোগ ছিল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার। কিন্তু মোহাম্মদ সিরাজের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড আউট হন ব্যক্তিগত ৭৩ রানে। তাইজুল ফেরেন ১ রানে। ৪ রানে রান আউট হন খালেদ। আর ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন তাসকিন। বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২৩১ রানে।


ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল। দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ সিরাজ ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। এছাড়া একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন উমেশ যাদব ও জয়দেব উনাদকাট।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/ইআ-১৬