সিঙ্গাপুরের বর্তমান বিক্রয় কর ৭%। নতুন বছরের শুরুর দিন থেকে ১% বেড়ে তা দাঁড়াবে ৮%। ২০২৪ সালে সেটি হবে ৯%। বাড়তি করের জন্য সিঙ্গাপুরের বাসিন্দারা এখনই তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনছেন। সিঙ্গাপুরের শপিং কমপ্লেক্সগুলোতে তাই এখন বছরের শেষ নাগাদ চলছে তুমুল কেনাকাটা।

 


বাসিন্দারা বলছেন, মূল্যস্ফীতির এই সময়ে যতটা সম্ভব তারা টাকা বাঁচানোর পথ খুঁজছেন। এমনকি যাদের বিয়ে কারার কথা রয়েছে তারা বিয়ের আংটিও কিনে রাখছেন এখনই।

 

২৮ বছর বয়সী সাইফ নুর বাড়ি বদল করবেন ৪ মাস পর। তিনি এখনই নতুন বাড়ির জন্য ফার্নিচার ও তৈজসপত্র কিনে রাখছেন। তিনি পেশায় একজন প্রকৌশলী। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেছেন, “মাত্র ১% বিক্রয় কর বৃদ্ধি শুনতে সামান্য মনে হলেও কেনাকাটায় পরিমাণটা বেশ বড়। আমি যেসব জিনিস কিনেছি সেগুলো পরের সপ্তাহে মানে বছরের প্রথম মাসে কিনতে গেলে ১৯ হাজার টাকা বেশি লাগবে। মূল্যস্ফীতির এই সময়ে যত টাকা বাঁচানো যায় ততই ভালো।”

 

তার কেনা পণ্যগুলো এখন বিক্রেতার কাছে থাকবে। পরে তিনি সেগুলো সংগ্রহ করবেন। তিনি জানান, তার কয়েকজন পুরুষ সহকর্মী এখনই বিয়ের আংটি কিনে রাখছেন। কারণ তাদের বান্ধবীরা বলেছেন, এখনই প্রস্তাব করতে তা না-হলে পরের বছর খরচ বাড়বে।

সিঙ্গাপুরে ৬৫ বছরের বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তাদের দেখাশোনা করে রাখতে এখনই অর্থ জোগাড় করে রাখতে চায় দেশটি। এই বয়সী মানুষের সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশ বাড়বে বলে মনে করছে দেশটির সরকার।

এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে বিক্রয় কর ৭%, ইন্দোনেশিয়ায় ১১% এবং জাপানে ১০%। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই কর প্রায় ২০%।

বিক্রয় কর বাড়ার তথ্যটি জানিয়ে ক্রেতাদের আকর্ষণ করছেন বিক্রেতারা। পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক মাসে আগের বছরের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে।

 

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ নাজাত-০৯

 


সূত্র : ঢাকা ট্রিবিউন