নিজেকে আরব আমিরাতের রাজপরিবারের পরিচয় দিয়েছিলেন। দিল্লির অভিজাত হোটেলে দিনের পর দিন এই পরিচয়েই ছিলেন এক ব্যক্তি। প্রায় চারমাস ওই হোটেলে থাকার পর চুপিসারে পালিয়ে গিয়েছেন তিনি। হোটেলটিতে তার বিল বাকি রয়েছে ২৩ লাখ রুপি (২৯ লাখ টাকা প্রায়)।

 


ওই ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার কিছুদিন পরে দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। তারপর থেকেই ওই ব্যক্তির সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

 

জানা গেছে, ওই ব্যক্তির নাম শরিফ। গত পহেলা আগস্ট দিল্লির লীলা প্যালেস হোটেলে ওঠেন তিনি। নিজেকে আরব আমিরাতের রাজপরিবারের সদস্য হিসাবে পরিচয় দেন।

হোটেল কর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে শরিফ জানান, দীর্ঘদিন ধরে শেখ ফালাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে কাজ করেছেন। সেই সূত্রেই রাজপরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। রাজপরিবারের কাজের সূত্রেই ভারতে আসতে হয়েছে বলেও জানান শরিফ। হোটেল কর্তৃপক্ষকে আমিরাতের পরিচয়পত্রও দেখিয়েছিলেন তিনি।

 

খবরে বলা হয়েছে, যথাযথ পরিচয়পত্র দেখিয়েই লীলা প্যালেস হোটেলে থাকতে শুরু করেন শরিফ। কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, আরবের রাজকীয় জীবনযাত্রা নিয়ে হোটেলের সকলের সঙ্গে গল্প করতেন তিনি। আচমকা একদিন দেখা যায় হোটেলে নেই তিনি।

 

হোটের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পালানোর সময় একাধিক মূল্যবান জিনিস চুরি করে নিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে হোটলের খরচ বাবদ তার বকেয়া রয়েছে ২৩ লাখ রুপি। তবে ২০ নভেম্বরের আগে হোটেল খরচের ১১ লাখ টাকা তিনি পরিশোধ করেছিলেন।

 

২০ নভেম্বর থেকেই নিরুদ্দেশ শরিফ। অবশেষে শনিবার গোটা ঘটনা জানিয়ে দিল্লি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে লীলা প্যালেস হোটেল কর্তৃপক্ষ। তদন্তে নেমে পুলিশের অনুমান, হোটেলে জমা করা শরিফের যাবতীয় নথিপত্র ভুয়া হতে পারে।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-০৬


সূত্র : ঢাকামেইল