সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুরে ফেরিঘাট নামক স্থানে তৈয়ব আলী ডিগ্রি কলেজের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন বিনয় দে সজিব। সোমবার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বিনয় দে সজিব (৩৫)। বীমা কোম্পানির কর্মকর্তা বিনয় দে সজিব সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার খাট খালি গ্রামের কবিন্দ্র কুমার দে’র ছেলে। 


তিনি সিলেট নগরীর পনিটুলা এলাকার পল্লবি-১৯ নং বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। এসময় দুর্ঘটনায় রইছ মুনশি (৩৮) নামের অপর এক সহকর্মী আহত হন।



নিহতের ছোট ভাই পিন্টু দে জানান, তার বড় ভাই সজিব দে মেটলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ইউনিট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রোববার অফিসের কাজে তিনি তার এক সহকর্মীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে জৈন্তাপুর যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তৈয়ব আলী ডিগ্রি কলেজের সামনে দুর্ঘটনার শিকার হন। দুজনকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে দুই কলেজছাত্র তাদের উদ্ধার করে অটোরিকশাযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। তবে সেখান থেকে রোববার রাতে সজিব দে-কে সিলেট নগরীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সোমবার দুপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।


এদিকে, কীভাবে এ দুজন দুর্ঘটনার শিকার হলেন তা কেউ দেখতে পাননি। দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে তাদের গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ দুর্ঘটনায় আহত হন বিনয় দে সজিবের সঙ্গে থাকা রইছ মুনশি (৩৮)। তিনি মেটলাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার। রইছ মুনশি বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


সিলেটের জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগির আহমেদ জানান, দুর্ঘটনার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েছেন। নিহত ব্যক্তি বীমা কোম্পানিতে কাজ করতেন। কিভাবে দুর্ঘটনার শিকার হলেন সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইআ-০৬