ছবি: সংগৃহিত

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগের গেটের পাশে একটি মানব কঙ্কাল পড়ে থাকতে দেখে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 


শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে কঙ্কালটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও রোগীদের মধ্যে মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। তবে পুলিশের তাৎক্ষণিক তদন্তে জানা যায়, এটি কোনো অপরাধমূলক ঘটনার অংশ নয়; বরং হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের এক শিক্ষার্থীর ব্যবহারিক ক্লাসের শিক্ষাসামগ্রী।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকালে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে একটি ব্যাগের পাশে মানুষের কঙ্কাল পড়ে থাকতে দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মুহূর্তেই বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ ধারণা করেন, রাতের আঁধারে কেউ কঙ্কালটি সেখানে ফেলে গেছে। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে ব্যাগে থাকা পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, কঙ্কালটি হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের এক শিক্ষার্থীর, যা অ্যানাটমি বিভাগের ব্যবহারিক ক্লাসে শিক্ষাসামগ্রী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

 

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এক শিক্ষার্থী রিকশাযোগে যাতায়াতের সময় অসাবধানতাবশত ব্যাগসহ কঙ্কালটি রিকশায় রেখে নেমে যান। পরে রিকশাচালক ব্যাগ খুলে কঙ্কাল দেখতে পেয়ে ভয় পেয়ে সেটি হাসপাতালের গেটের ভেতরে রেখে চলে যান।

 

তিনি আরও জানান, ব্যাগে থাকা পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ শিক্ষামূলক কাজে ব্যবহৃত মানব কঙ্কাল হওয়ায় জনসাধারণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার পর স্থানীয়দের উদ্বেগ কেটে গেলেও ভবিষ্যতে এ ধরনের শিক্ষাসামগ্রী বহনের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/ইকে