ছবি: সংগৃহিত
হঠাৎ করে সিলেটের কয়েকটি নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। উজানে ভারতের আসাম মেঘালয়সহ বিভিন্ন রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে হঠাৎ এই পানি বৃদ্ধি।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড এসব তথ্য জানায়।
তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যেসব নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে সেগুলো হচ্ছে সুরমা, কুশিয়ারা , সারিগোয়াইন ও লোভাছড়া।
কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। শুক্রবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে সুরমা প্রবাহিত হচ্ছিল ১১ দশমিক ৯৭ মিটার উচ্চতায়। আর সন্ধ্যা ৬টায় প্রবাহিত হচ্ছিল ১২ দশমিক ৩ মিটার উচ্চতায়। পানি বেড়েছে ১ মিটারের বেশী।
সিলেট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার। শুক্রবার সকাল ৬টায় পয়েন্টে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ৯ দশমিক ৬০ মিটার উচ্চতায়। সন্ধ্যা ৬টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ৯ দশমিক ৬৩ মিটার উচ্চতায়।
আমলশীদ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০ মিটার। শুক্রবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ মিটার। আর বিকাল ৩টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ১৪ দশমিক ৫২ মিটার উচ্চতায়। এ পয়েন্টে পানি বেড়েছে ১৭ সেন্টিমিটার।
শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানি ছিল ১২ মিটার উচ্চতায়। সন্ধ্যা ৬টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ১২ দশমিক ১৩ মিটার উচ্চতায়। এ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি বেড়েছে ১৩ সেন্টিমিটার। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে নদীটি মোটামুটি স্থিতিশীল আছে। আর শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি কমছে।
সারিগোয়াইন নদীর পানিও বাড়ছে। নদীটির বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৩৫ মিটার। শুক্রবার সকাল ৬টায় সারিঘাট পয়েন্টে সারিগোয়াইনের পানির উচ্চতা ছিল ৯ দশমিক ৭৩ মিটার। সন্ধ্যা ৬টায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯ দশমিক ৭৪ মিটারে। অবশ্য গোয়াইনঘাট পয়েন্টে সারিগোয়াইনের পানি মোটামুটি কমতির দিকে।
সকাল ৬টায় লোভাছড়ার পানির উচ্চতা ছিল ১২ দশমিক ৩০ মিটার। বিকাল ৩টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ১২ দশমিক ৩৮ মিটার উচ্চতায়।
এড়াও ধলা ও পিআইনের পানি কমছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে




