এলএনজির ভাসমান টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। মেরামতের কাজ চলছে। আগামী ২ দিনের মধ্যে সমাধান হবে। সিএনজি স্টেশনে সংকট খুবই সাময়িক, এটিও থাকবে না।
 

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।
 


মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘দেশে প্রতিদিন প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে প্রতিদিন সরবরাহ করা যায় ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সেদিক থেকে কিছুটা ঘাটতি দীর্ঘদিন ধরে আছে।’
 

তিনি বলেন, ‘একটি এফএসআরইউতে (এলএনজির ভাসমান টার্মিনাল) যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এর ফলে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। যে কারণে সিএনজি স্টেশনগুলোতে কিছুটা লাইন দেখা গেছে।

যুগ্মসচিব বলেন, ‘গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে অনেক দিন কাজ হয়নি। নতুন সরকার আসার পর থেকে এ কাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
 

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১ লাখ ৮০ হাজার এবং আগস্টে ২ লাখ ৪০ হাজার টন ডিজেল আসবে। সব মিলিয়ে জ্বালানি পণ্যের কোনো ধরনের সংকট নেই। সংকট তৈরির চেষ্টা থেকে গুজব তৈরি করা হয়েছে।’

জ্বালানি তেল আমদানি ইস্যুতে যুগ্ম সচিব বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুধু ক্রুড অয়েল আসে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর রেড সি দিয়ে আমদানি করা হচ্ছে। রেড সি বন্ধ হলে সে ক্ষেত্রে বিকল্প রুটও ভাবছে বাংলাদেশ।’

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-২০