ছবি: সংগৃহিত
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জ- কেরাইয়া রোডে ডাকাত দলের সশস্ত্র আক্রমণে জকিগঞ্জ থানা পুলিশের উপসহকারী পরিদর্শক (এসআই) মুর্শেদ আলম গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
মুর্শেদ আলমকে মাথায় কোপ দিয়ে গুরুতর আহত করে ডাকাতরা। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছিল সশস্ত্র ডাকাতদল। স্থানীয় জনগণ ও জকিগঞ্জ থানাপুলিশ আগেই বিষয়টির টের পেয়ে যায়।
কেরাইয়া সড়কে জকিগঞ্জ থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মোমেন ও এসআই মুর্শেদ আলম ডাকাত দলের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান আটকানোর সিগন্যাল দিলে তারা গাড়ি বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে তাদের অতিক্রম করে।
পরে দুই পুলিশ অফিসার ও তাদের সঙ্গী অন্য সদস্যরাও গাড়ির পিছনে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে ফিল্মি স্টাইলে লাফ দিয়ে ডাকাত দলের গাড়িতে উঠে পড়েন এসআই মুর্শেদ। গাড়িতেই তার উপর সশস্ত্র হামলা চালায় ডাকাতরা। গুরুতর আহত হয়ে গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যান মুর্শেদ।
পিছনে থাকা এসআই আব্দুল্লাহ আল মোমেন, এসআই মুর্শেদকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে থানার আরেকজন অফিসার দিয়ে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠান।
পরে এসআই আব্দুল্লাহ আল মোমেন ও থানার অন্য অফিসাররা ফোর্সসহ স্থানীয় জনগণ মিলে ডাকাতদের আটক করতে শুরু করেন অভিযান। তাদের সাহসী অভিযানে ডাকাত দলের দুই সদস্যসহ তাদের ব্যবহৃত পিকআপ গাড়ি আটক করতে সক্ষম হন।
এসময় অন্যে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। আটক ডাকাতরা হচ্ছেন জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের দরগাহ বাহারপুর গ্রামের মো. কামাল আহমদের ছেলে দিদার আহমদ ও একই ইউনিয়নের ওয়াসার গ্রামের আব্দুল হাসিমের পুত্র মারুফ আহমদ।
এদিকে গুরুতর আহত জকিগঞ্জ থানার সাহসী এসআই মুর্শেদ আলমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়েছে।
তিনি বর্তমানে কথাবার্তা বলতে পারলেও তার মাথার জখম গুরতর। গত কয়েদিনে জকিগঞ্জে কয়েকটি ডাকাতি ও ছিঁনতাইর ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত আটকের ঘটনায় জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। আটক আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/কয়েছ/ইকে




