সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের মিছিলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকতকে আসামি করা হয়েছে।
 

তবে মামলায় অভিযুক্ত এই সাংবাদিক দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং মিছিলের সময় তিনি ঘটনাস্থলেও উপস্থিত ছিলেন না।
 


সোমবার (৩১ আগস্ট) মধ্যনগর থানায় উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহাজাহান মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
 

মামলায় ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকতের নাম থাকায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলে তাকে মামলায় আসামি করা অনাকাঙ্ক্ষিত। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার দাবি জানিয়েছেন।
 

সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের রতনশ্রী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে। তিনি দৈনিক কালবেলা ও আরটিভির তাহিরপুর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকত বলেন, “ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। আমি ঘটনাস্থলেও ছিলাম না। অন্য থানার একটি ঘটনায় আমাকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত বিষয়টি উদঘাটনের দাবি জানাই।”
 

এ বিষয়ে মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাবুদ্দিন শাহিন বলেন, “স্থানীয় বিএনপি নেতা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। সাংবাদিক শওকত হাসানের সম্পৃক্ততা না থাকলে তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হবে।”

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/হিল্লোল/এসডি-১০