সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ফেরা এক তরুণীকে ১০ দিন আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার নাঈম উদ্দিন (২২) নামের ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।
নাঈম কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদপূর্ব ইউনিয়নের দনা পাত্তিছড়া গ্রামের আবদুর রহমান ডালুর ছেলে।
পুলিশ জানায়, শেরপুর জেলার ওই তরুণী প্রায় ৯ মাস পূর্বে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে হায়দ্রাবাদ যান। সেখানে তিনি কাপড়ের ব্যবসা করতেন। ২০ আগস্ট জাহাঙ্গীর নামের তার এক মামার সহায়তায় তিনি বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করেন। এ সময় বিএসএফ তার মামা জাহাঙ্গীরসহ তাকে আটক করে। কিন্তু তরুণীটির কান্নাকাটির কারণে তাকে কারাগারে না পাঠিয়ে সিলেটের কানাইঘাটের দনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। রাতে বাংলাদেশ সীমান্তে ঢুকার পর দনা পাত্তিছড়া গ্রামের শানুর আহমদ (৩০), নাঈম উদ্দিন (২২), কাওছার আহমদ (৩০), দনা রাঙ্গিছড়া গ্রামের হুসাইন আহমদ (২৪), রিয়াজ উদ্দিন (৩০) ও দনা রাতাছড়া গ্রামের ইকবাল আহমদের (২৮) সাথে ওই তরুণীর দেখা হয়। তারা মেয়েটিকে নিজবাড়ি শেরপুরে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে শানুরের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে প্রায় ১০দিন আটক রেখে তারা ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিম মেম্বারের সহায়তায় তরুণীটি মুক্ত হয়ে বুধবার কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই পুলিশ মামলার ২নং আসামী নাঈম উদ্দিনকে গ্রেফতার করে।
কানাইঘাট থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, সংঘবদ্ধ ধর্ষনের শিকার তরুণীকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/শাদিআচৌ/এসডি-০৩




