সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামের দীর্ঘদিনের দুপক্ষের কোন্দল ও বিরোধ নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতা করে উভয়পক্ষকে অতীতের ঘটে যাওয়া সকল দ্বন্দ্ব ভুলে শান্তির পথে ফিরালেন দিরাই-শাল্লা আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী ও সমাজসেবিকা পারভীন চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শাল্লা উপজেলা পরিষদের হলরুমে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও রাজনৈতিক এই বিরোধ মীমাংশা করেন। উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে তাদের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের ইতি টানেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শ্রীহাইল গ্রামে জুবায়ের আহমেদ ডালিম ও আফজাল মিয়ার মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ ছিল। এই বিষয়টি এমপি-পত্নী পারভীন চৌধুরীর দৃষ্টিগোচরে আনা হলে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দুই পক্ষের মুরুব্বীদের নিয়ে সমঝোতা বৈঠকের আয়োজন করেন। বৈঠকে পারভীন চৌধুরী উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি দূর করে মিলেমিশে থাকার অনুরোধ জানান।
তাঁর আন্তরিক প্রয়াস ও কার্যকর মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষ নিজেদের ভুল স্বীকার করে আপোস মীমাংসায় সম্মত হয় এবং একে অপরের সাথে কোলাকুলি করে বিরোধের সমাপ্তি ঘোষণা করে। সমঝোতায় উপস্থিত স্থানীয় মুরুব্বী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, সামান্য ঘটনা থেকে যেন বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে এমপি পত্নীর এই ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
তাঁর এই মধ্যস্থতায় এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। বিরোধ মীমাংসা শেষে পারভীন চৌধুরী বলেন, আমাদের এলাকাকে শান্ত ও বাসযোগ্য রাখা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। ছোটখাটো কোন্দল ভুলে গিয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, শাল্লা বিএনপির আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, যুগ্ম আবহ্বায়ক আব্দুল আওয়াল, আব্দুল করিম মাস্টার, নিত্যানন্দ দাস নিতাই, সাংবাদিক রুদ্র মিজান, আবু হানিফ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুর রহমান, কৃষকদলের সদস্য সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নুরুল আমিন, কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/সন্দীপন/এসডি-১৭




