ছবি: সংগৃহিত
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার আজমিরীগঞ্জ -বানিয়াচং ভায়া শিবপাশা সড়কটি সংস্কারের অভাবে খানাখন্দে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিরাট গ্রাম সংলগ্ন এলাকা থেকে শিবপাশা ইউনিয়নের শিবপাশা সবুজগঞ্জ বাজার পর্যন্ত প্রায় দশ কিলোমিটারের বেশি সড়কের এমন বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সড়কটি ব্যবহারকারী হাজারো সাধারণ যাত্রী ও চালকরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ প্রায় দুই বছর ধরে সড়কের এমন বেহাল দশায় যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হলেও এই বিষয়ে ভ্রুক্ষেপহীন উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ।
আর এলজিইডি কতৃপক্ষ বলছে 'সড়কটি মেরামতে দরপত্র আহবানের জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করেছেন তারা। '
এলজিইডি সুত্রে জানাগেছে, ২০১৮ সালের দিকে প্রায় ৬৬ কোটি টাকা ব্যায়ে ১০.২৫ কিলোমিটার সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়৷ এরপর বিভিন্ন সময়ে সড়কটির বিভিন্ন অংশের সেতু, সেতুর সংযোগ সড়ক ও সড়কের বিভিন্ন অংশ সংস্কার করা হয়।
সরেজমিনে সড়কটিতে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিরাট ভাটীপাড়া গ্রামের অংশ হতে শিবপাশা সবুজগঞ্জ বাজার পর্যন্ত সড়কটির বিভিন্ন অংশে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও আবার সেতুর গোড়ার মাটি সরে গেছে। খানাখন্দ সৃষ্ট সেই সড়কটিতে ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে নানান ধরনের যাত্রী ও পন্যবাহী গাড়ি।
শিবপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা কাউসার মিয়া জানান, সড়কটি ব্যবহার করে প্রতিদিন উপজেলা সদরে যাওয়া করতে হয়। কিন্তু সড়কের এমন বেহাল দশায় জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়।
সুরান মিয়া নামের আরেক বাসিন্দা জানান, প্রায় দুই বছরের বেশি সময় ধরে খানাখন্দে সড়কটির এমন বেহাল দশা থাকলে ও নজর নেই কতৃপক্ষের। সিএনজি অটোরিকশা চালক মাহবুব জানান, সড়কটির এই দশার কারনে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এছাড়া সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও পন্য বহনকারী যানবাহনের যন্ত্রাংশ রোজই নষ্ট হচ্ছে। এতে করে দিনের যা ইনকাম তা চলে যাচ্ছে পরিবহন মেরামতে।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের(এলজিইডি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো.শরিফুল ইসলাম 'কালবেলা'কে বলেন, আজমিরীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বিরাট ভাটীপাড়া অংশ হতে পশ্চিমভাগ বড় ব্রীজ পর্যন্ত সড়কটির ১০.১৫ কিলোমিটার মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে উর্ধতন কতৃপক্ষের নিকট আবেদন পত্র পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন হলেই সড়কটি মেরামত কাজ শুরু করা হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/মিলাদ/ইকে-০৮






