সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় নিষিদ্ধ পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি আলী হোসেন ও উপজেলা যুবলীগের নেতা মুমিনুল হক টনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

 



শনিবার (৩ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

 

গ্রেপ্তার আলী হোসেন উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের ফরিজ আলীর ছেলে। শুক্রবার রাতে নিজ এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছ।

 

অন্যদিকে যুবলীগ নেতা মুমিনুল হক টনি পাখিয়ালা উপজেলা চত্বর এলাকার তুতিউর রহমানের ছেলে। শনিবার সকালে উপজেলার শাহবাজপুর বাজার থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

 

পুলিশ জানায়, পৌরছাত্রলীগ সভাপতি আলী হোসেন (৩০) ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বড়লেখায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্র-সমন্বয়ক আবু হাসানের দায়েরকৃত মামলার এজাহার নামীয় আসামি। প্রায় দেড় বছর আত্মগোপনে থেকে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।

 


চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে তিনি সরকার বিরোধী নানা অপতৎপরতায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

 

অপরদিকে উপজেলা যুবলীগ নেতা মুমিনুল হক টনি ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপির কালো পতাকা দিবস পালনের প্রস্তুতিকালে অতর্কিত হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত পৌর যুবদলের তৎকালীন সহসাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম তাপাদারের ২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহার নামীয় আসামি।

 

 

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুমিনুল হক টনি তিন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। 

 


অপরদিকে ছাত্রলীগ নেতা আলী হোসেন জামিনে রেবিয়ে সরকারবিরোধী নানা ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা চালাতে থাকেন। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ ডেস্ক