ছবি: সংগৃহিত

প্রায় ৩ দশক মধ্যপ্রাচ্যে লড়াই করেছেন একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসাবে। এখন জনপ্রতিনিধি হিসাবে লড়াই করতে প্রস্তত বিয়ানীবাজারের তিলপাড়া ইউনিয়নের দেবারাই গ্রামের সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম।

 


এই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য হিসাবে নির্বাচন করার প্রস্ততি নিচ্ছেন গত বছরখানেক ধরে।

 

রফিকুল ইসলাম তার ওয়ার্ডে সেবামূলক কাজ করছেন। দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। রাস্তাঘাট উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তবে সবচেয়ে বেশী জোর দিচ্ছেন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড গড়ে তোলার উপর। সে লক্ষ্যে প্রায়ই স্বয়ং নিজে নেমে যান কাজে।

 

তিনি একজন ডিজিটাল ক্রিয়েটর হিসাবেও যথেষ্ট পরিচিতি লাভ করেছেন। এছাড়াও মসজিদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধ্যমতো অনুদান দিয়ে তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রেও মূল্যবান অবদান রাখছেন।

 

তিনি আলাপকালে প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন, প্রায় প্রতিদিন তার ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সাথে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় করছেন। সবাই তাকে সমর্থন দিচ্ছেন।

 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, নির্বাচিত হলে সততার সাথে তিনি ওয়ার্ডবাসীর সেবা করবেন।

 

তিনি জানান ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষায় আওতায় সরকারের দেওয়া সুযোগ সুবিধাগুলো প্রকৃত  অর্থেই যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করবেন।

 

বিশেষ করে বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তদের ভাতা বিতরণের ক্ষেত্রে নিজেকে বিতর্কমুক্ত রাখারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সমাজসেবক রফিক উদ্দিন।

 

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনেই। এ সময়টাতে এসে প্রার্থীরা তোড়জোড় শুরু করেছেন। রফিকের প্রতিদ্বন্দ্বীরাও প্রস্তুত। নিজেদের অবস্থান থেকে তারাও কাজ করছেন। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে রফিক এগিয়ে আসেন কাজের দিক দিয়ে। অন্যরা যখন সুশীল সমাজের সঙ্গে গণসংযোগ মতবিনিময় করছেন, রফিক তখন এসবের পাশাপাশি ওয়ার্ডের উন্নয়নে মাঠে থেকে কখনো রাস্তাঘাট সংস্কারে শারীরিক শ্রম দেওয়ার পাশাপাশি গাঁটের টাকা খরচ  করছেন, কখনোবা পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন।

 

তার কাজের সুবাদে তিনি এখন নিজ ওয়ার্ডে ব্যাপক আলোচিত।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে-১০