মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত হয়েছে। ৭ই মার্চ ( সোমবার) কাতারস্হ বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে দূতাবাস প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক এ-ই দিবস পালিত হয়।

৭ই মার্চ সকাল থেকে শুরু করে সারাদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়।


একই দিন বিকালে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণটির গুরুত্ব, তাৎপর্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করা হয়। বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারবর্গ যারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শাহাদৎ বরণ করেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্নত্যাগকারী শহিদগণ, জাতীয় চার নেতার রুহের মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে মহামান্য রাষ্ট্র্রপতি মো: আব্দুল হামিদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেন এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাণীসমূহ পাঠ করা হয়।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের আলোচনা অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী, বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক ও অধ্যক্ষ অংশগ্রহণ করেন। আলোচকবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কৌশলী নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর মূখ্য ভূমিকার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণটি জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যর অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করাকে বাংলাদেশের জন্য অনন্য গৌরবের বিষয় বলে উল্লেখ করেন। আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতি দূতাবাসের মিনিস্টার (শ্রম) এবং সিডিএ ড. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ শুয়াইব/ শাদিআচৌ-০৬