নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হওয়ায় বিপাকে পড়ছেন কুলাউড়ার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীসহ স্বল্পআয়ের মানুষেরা। শুধু স্বল্পআয়ের মানুষ নয়, মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত সবার জীবনেই নেমে এসেছে চরম হতাশা।
গত কয়েকমাস ধরে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। থেমে নেই কাঁচাবাজারে সবজির দামও। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী চড়া দাম হওয়াতে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষরাক্ষুব্ধ।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, করোনার লকডাউনের পর অফিস আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব কিছু খুলে দেওয়ার পর থেকে দ্রব্যমূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অস্বাভাবিক ও আকস্মিক মূল্য বৃদ্ধির ফলে জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে।
কুলাউড়ার বিভিন্ন গ্রামের বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে হতাশ সাধারণ ক্রেতারা। চিনি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। কিছুদিন আগেও চিনি বিক্রি হয়েছিল কেজি ৭৫ টাকা দরে। এছাড়া প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০-৪৫ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, গাঁজর প্রতি কেজি ৪০-৪৫ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা এবং চাল কুমড়ার পিস ৪০-৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হত-দরিদ্র কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, তাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। আগের চাইতে বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হওয়ায় অল্প আয়ে অনেক পরিবারের ভরণ-পোষণ বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে আবার মাছ-মাংসও চোখে দেখছেন না। এভাবে চলতে থাকলে অবস্থা নাজুক হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন করছেন তারা।
গ্রামীণ এক ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, যে সকল পণ্যের দাম বেড়েছে সেগুলো আগের মতো ক্রেতারা খোঁজে না। সবাই এখন পণ্য খুচরা নিতে চায়।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে ক্রেতারা ২০০-৫০০ গ্রাম হারে খোলা তেল বেশিরভাগ ক্রয় করছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / অনি / ডি.আর




