মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রায়ই গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। এতে গরু মালিকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির কাঠালতলী এলাকা থেকে ৬টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে সম্প্রতি উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি গ্রাম থেকে একরাতে তিনজনের ৮টি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এদিকে রাতে রাস্তায় পুলিশের টহল থাকা সত্বেও কীভাবে চোরচক্র গরু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গরু মালিকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতের যেকোনো একসময় উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির কাঠালতলী এলাকার তোতা মিয়ার গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে চোরচক্র ৪ টি গরু এবং তোতার প্রতিবেশি আনোয়ারা বেগমের গোয়াল ঘর থেকে ২টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।
এর আগে সম্প্রতি দাসেরবাজার ইউনিয়নের সুড়িকান্দি গ্রামের সাবেক মেম্বার মাসুক আহমদের ৪টি, মতিউর রহমানের ২টি এবং আরও এক ব্যক্তির দুটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র।
ভুক্তভোগী গরু মালিক তোতা মিয়া জানান, চোরেরা আমার সেমিপাকা গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে চারটি গরু ও প্রতিবেশি আনোয়ার বেগমের দুটি গরু নিয়ে গেছে। আমার চারটিসহ ছয়টি গরুর মূল্য প্রায় আড়াইলাখ টাকা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী কয়েকজন গরু মালিক জানান, রাতে রাস্তায় পুলিশ টহল দেয়। এরপরও চোরেরা কীভাবে গরু নিয়ে যায়? তারা জানান, চুরির পর থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দায় সারে। চুরি হওয়া গরু উদ্ধার কিংবা চোরদের ধরতে পারে না। যার কারণে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। পুলিশ চুরি হওয়া গরু উদ্ধারের পাশাপাশি চোরদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / লাভলু / ডি.আর




